বগুড়া ব্যুরো :
বগুড়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের সামনে ফাহিম মিয়া (১৮) নামে ১০ম শ্রেণির এক ছাত্রকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। ফাহিমকে বুকসহ শরীরের একাধিক স্থানে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এরপর তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সোমবার (১০ ফেব্রæয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ফাহিম শহরের চক ফরিদ কলোনী এলাকার ফরহাদ হোসেনের ছেলে। সে পুলিশ লাইন্স সংলগ্ন ফয়জুল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণির ছাত্র। নিহত ফাইমের বড় ভাই কাইয়ুম হোসেন জানান, তুই বলাকে কেন্দ্র করে সিনিয়র-জুনিয়র দ্ব›েদ্বর কারণে তাকে হত্যা করা হয়।
বড় ভাই কাইয়ুম হোসেন জানান, সোমবার বিকেলে ফাইম কোচিং সেন্টারে যায়। কোচিং শেষে বাড়িতে ফেরার সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে বগুড়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এর সামনে রাস্তায় ৮-১০ জন দুর্বৃত্তের কবলে পড়ে। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাকে ঘিরে ধরে এবং মারপিট করতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা তার বুকে ও শরীরের একাধিক স্থানে ছুরিকাঘাত করে চলে যায়। এরপর লোকজন তাকে উদ্ধার করে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে নেয়। কিন্তু সেখানে তার অবস্থার উন্নতি না হলে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসক তাকে দেখে মৃত ঘোষণা করেন।
কাইয়ুম আরও জানান, মাস চারেক আগে সিনিয়র-জুনিয়র নিয়ে দ্ব›দ্ব বাধে ফাইমের সঙ্গে। এ দিন ফাহিম একজন সিনিয়রকে শরীরে থুথু দিয়েছিল। পরে এর নিয়ে চরম বিরোধ নিয়ে বেধেছিল তাদের মধ্যে। সে সময় বিষয়টি মিমাংসা করা হলেও দ্ব›দ্ব লেগেই ছিল। তারা ফাহিমকে হত্যার হুমকি দিয়েছিল। সোমবার তাকে একা পেয়ে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে।
বগুড়া সদর থানার ওসি এসএম মঈনুদ্দীন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। খুনিদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































