বগুড়া ব্যুরো:
বগুড়ার শেরপুরে চাঁদার টাকা না পেয়ে এক ঠিকাদার কে মারপিট করেছে গাড়িদহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) শহিদুল ইসলাম। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ঠিকাদার ইসমাল হোসেন শেরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আসামীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করে ঠিকাদার ইসমাইল হোসেন আজ মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) শেরপুর প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন।
অভিযাগ সূত্রে জানা যায়, ইসমাইল হোসেন গত ডিসেম্বর মাসে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় গাড়ীদহ ইউনিয়নের গাড়িদহ গ্রামের ৮৫ মিটার রাস্তা আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ শুরু করেন। কাজ শুরুর পর থেকেই এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম ঠিকাদার ইসমাইলের কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করেন। ঠিকাদার চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় ইউপি মেম্বর শহিদুল নানাভাবে কাজের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন।
রাস্তার কাজ শেষ হলে গত ১৯ জানুয়ারি বিকেলে রাস্তার মাইল ফলক লাগানোর সময় মেম্বার শহিদুল ইসলাম সঙ্গে আরো ৪/৫ জন সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক সঙ্গে নিয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঠিকাদার ইসমাইলে তার ওপর হামলা করে। এলোপাথারি মারপিটে তিনি মারাত্মক আহত হন। এ সময় মিস্ত্রির বিল দেয়ার জন্য ইসমাইলের কাছে রক্ষিত প্রায় ৪৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় সন্ত্রাসীরা। পরে তিনি স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তিনি শেরপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
আসামীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে ঠিকাদার ইসমাইল হোসেন মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) শেরপুর প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, হামলার সময় মেম্বার শহিদুলের ভাই শাহিদুল ইসলামসহ খায়রুল ও নিশাত হামলা ও মারপিটে অংশ নেয়। আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেম্বার শহিদুলের চাঁদাবাজিতে এলাকার লোকজন অতিষ্ঠ বলে সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করেন ঠিকাদার ইসমাইল। সাংবাদিক সম্মেলনে মেম্বার শহিদুলকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করা হয়।
শেরপুর থানার এসআই রবিউল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পওয়া গেছে। পরবর্তি আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে বলে তিনি জানান।
আমন্ত্রণ/এসিজি
































