গোবিন্দগঞ্জ প্রতিবেদক :
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে একস্কুল ছাত্রী। ঘটনার সাথে জড়িত সাব্বির হোসেন নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সাব্বির হোসেন (২২) সাঘাটা উপজেলার চন্দনপাট গ্রামের শাহজাহান আলী ছেলে।
আজ বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) তাকে গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতে নিয়ে গেলে বিজ্ঞ বিচারকের কাছে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেয় সাব্বির হোসেন। পরে তাকে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। ধর্ষণের সাথে জড়িত অপর ২ আসামী পলাতক রয়েছে।
গোবিন্দগঞ্জ থানায় দায়ের হওয়ার মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ২ সেপ্টেম্বর সকাল ৯ টায় সাঘাটা উপজেলার চন্দনপাট গ্রামের আসাদুজ্জামনের কন্যা পার্শ^বর্তী ওসমানের পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী (১৪) স্কুলে যাওয়া উদ্দেশ্যে বের হয়। এ সময় অটোচালক একই গ্রামের মন্টু মিয়ার ছেলে শান্ত মিয়া (২৪) তাকে অটোরিক্সায় স্কুলে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে তার অটোরিক্সায় তুলে নিয়ে রওয়ানা হয়। কিছুক্ষণ পর ওই স্কুল ছাত্রীকে মন্টু মিয়ার বোনের বাড়ীতে বেড়ানোর কথা বলে তাকে পার্শ^বর্তী গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জের শ্রীপতিপুর বকুল তলায় খলিলুর রহমানের ছেলে খোরশেদ আলম পলাশের নির্জন বাসায় এনে ওই বাসার দায়িত্বে থাকা মহিমাগঞ্জের পান্তামারী গ্রামের মোখলেছুর রহমান মোক্তারের ছেলে সুজন মিয়া (২৪) এর সহায়তায় মন্টু ও একই গ্রামের সাব্বির হোসেন মেয়েটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনা প্রকাশ করলে তাকে মেরে ফেলা সহ বিভিন্ন ধরণের হুমকি প্রদান করে তারা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। মেয়েটি সেখান থেকে বাড়ী ফিরে অসুস্থ হয়ে পরে এবং অভিভাবকদের কাছে সকল ঘটনা খুলে বলে।
পরে স্কুল ছাত্রীর মা তাহমিনা বেগম বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় ৩ যুবকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন।
এব্যাপারে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ পবিত্র কুমার বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরেই অভিযান চালিয়ে সাব্বির নামের এক আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেফতার তৎপরতা অব্যহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামী ১৬৪ ধারার জবানবন্দির ধর্ষণ করার কথা স্বীকার করেছে। আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































