এল এইচ আকাশ দিনাজপুর :
দিনাজপুল শহরের সুইহারী কলেজ পাড়ায় চাঁদা না পেয়ে গুলি ছুড়ে এসএল ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে নগদ টাকা, দোকানের মালামাল লুট, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে ১৯ জনের নামে মামলা হয়েছে।
সদর উপজেলার মির্জাপুর মিরপাড়ার মো. নুরুন্নবী সরকারের ছেলে এসএল ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের মালিক মো. মিজানুর রহমান সাজু (৫২) বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় এই মামলা দায়ে করেছেন। গত ৫ সেপ্টেম্বর ৩২৩/৩০৭/৩৮৫/৪৬১/৩৮০/৪২৭/১১৪ ধারায় মামলা দায়ের হলেও এখন কোন আসামী গ্রেফতার হয়নি। এতে করে বাদী নিরাপত্তাহীতনায় ভূগছেন।
এজাহার নামীয়লা হলেন, ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হানিফ দিলন (৫৭), মো. শামসুজ্জোহা বাদশা (৫২), মো. সারোয়ার আহমেদ শাওন (৪৩) মো. সাব্বির আহমেদ সুজন (৪২), মো. রবিন (পান্ডে)(৩৭), মো. সাদনান বিন রতন (৩২), মো. সামসাদ সাঈফ রোহান (২৯), মো. রায়হান হান্নান দ্বীপ (৩২), মো. মাহাফুজুর রহমান সজীব (৩৯), মো. মিজানুর রহমান টিংকু (৩৬), মো. ওমর ফারুক বাহাদুর (৩৬), মো. নয়ন (৩৮), মো. আসাদুজ্জামান আসাদ (৩২), মো. রিয়াজুল ইসলাম রাজু (৪২) মো. সিফাত রহমান লিমন (৩০), তৌফিকুল ইসলাম তুর্য্য (৪৪) মো. আসাদুজ্জামান রুবেল (৩৯) ও উপশহর ৭ নং ব্লকের আব্দুল আজিজের ছেলে হাফিজ ।
মামলা বাদী জানান, এজাহার নামীয়রা সবাই আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃত্ত। ২০০৯ সাল থেকে তিনি সুইহারীতে স্টেশনারী ও মুদি ব্যবসা করেন। এজাহার নামীয় ব্যক্তিরা বিভিন্ন সময়ে বাদীর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসচিল। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় এজাহার নামীয়রা বাদীর উপর রাগান্বিত হয়। এরই প্রেক্ষিতে গত ২৮/১১/২০১৩ ইং তারিখ বৃহস্পতিবা দুপুর ১২.৪৫ মিনিটে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে হাতে লোহার রড, ছুরি, চাইনিজ কুড়াল, সামুরাই, পিস্তল, রামদাসহ অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দোকানে গিয়ে মালিকরে খোজ করেন। পরে মালিককে না পেয়ে গুলি ছুড়ে কর্মচারিদের এলোপাথারি কিলঘুষি ও চড়- থাপ্পর মেরে দোকানে অনধিকার প্রবেশ করে দোকানের ক্যাশ বাক্সে থাকা ব্যবসার নগদ এক লাখ টাকা, দোকানের ভিতরে থাকা ৩টি আধুনিক ফটোকপি মেশিন, একটি লেনোভো কোম্পানির ল্যাপটপ, ডেল কোম্পানীর ২টি ডেস্কটপ, ২৪” র্যাংগস্ এলইডি টিভি ১টি, বিভিন্ন কোম্পানির চকলেট, খাতা, কলমসহ দোকানের মালামাল বের করে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির ভ্যান করে চুরি করে নিয়ে যায়। নিয়ে মালামালগুলির আনুমানিক মূল্য প্রায় ছয় লাখ টাকা। এ সময় তারা দোকানের ভিতরে থাকা ৩টি প্লাস্টিকের চেয়ার, ১টি ফটোকপি মেশিন, মুরগীর ডিম ১০০০ পিস সহ দোকানের ভিতরে থাকা ডেকোরেশন ভাংচুর সহ দোকানের সাটার ভাংচুর করে। এতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি সাধন হয়। এ সময় তারা দোকানের ভিতরে থাকা ৩টি কাঠের র্যাক দোকানের বাহিরে নিয়ে এসে আগুন দিয়ে জালিয়ে দেয়। স্থানীয় লোকজন ভয়ে বাধা দিতে পারে নাই।
মালিক মো. মিজানুর রহমান সাজু বলেন, দীর্ঘদিন হলেও পুরিশ এজাহার নামীয় কাউকে গ্রেফতার করেতে পারেননি। তাদের মধ্যে অনেকে প্রাতশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তারা গ্রেফতার না হওয়ায় আমি নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছি। তারা যে কোন সময় আমার ক্ষতি সাধন করতে পারে।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































