বগুড়া ব্যুরো :
বগুড়ায় চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিভিন্ন বিচারকের সিল ও স্বাক্ষর জাল করে এফিডেভিট ও মামলার রায় নকল করার অভিযোগে ৩ প্রতারককে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) রাত আটটায় বগুড়া জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বর থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে জাল স্বাক্ষরিত এফিডেভিট করা স্ট্র্যাম্প উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, গাইবান্ধা জেলা সদরের উত্তর গিদারা গ্রামের মৃত মুসলিম আলীর ছেলে সদরুল কবির (৪৮), বগুড়ার গাবতলী উপজেলার চকসদু গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে ওহাব শিপন (৩০) ও একই উপজেলার মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে আক্তারুজ্জামান (৩৮)। তারা দীর্ঘ দিন থেকে এ কাজের সঙ্গে জড়িত।
জানা গেছে, বুধবার (৪ ডিসেম্বর) বগুড়া চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এএসএম তাসকিনুল হকের আদালতে আসমা মাহবুব নামের এক ম্যাজিস্ট্রেটের সিল ও স্বাক্ষর জাল করা স্ট্র্যাম্প তদন্তে গেলে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নজরে আসে। তিনি তাৎক্ষণিক আদালতকে জানান, বিচারক আসমা মাহবুব ২০২১ সালে বগুড়ায় কর্মরত ছিলেন। তিনি বদলি হয়ে যাবার পরেও প্রতারক চক্র তার সিল ও স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণা করে আসছে। আদালত বিষয়টি ডিবি পুলিশের ওসি মুস্তাফিজ হাসানকে জানালে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে জেলা প্রশাসকের চত্বরে অবস্থিত স্ট্র্যাম্প ভেন্ডার দোকান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত সদরুল কবির আদালতে জানান, তাদের টিমে প্রায় ২০০ জন প্রতারক দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতারণা করে আসছে।
বগুড়া জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওসি মুস্তাফিজ হাসান জানান, বিচারকের সিল ও স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগে ৩ প্রতারককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের নামে মামলা হবে।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































