আমন্ত্রণ প্রতিবেদক :
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার ৩ নং কাজিহাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মানিক রতনের অনিয়ম দুর্নীতি এবং স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে এনে তার অপসরণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছেন ইউনিয়নবাসীরা।
এসময় তার চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের দাবিতে সাতদিনের আল্টিমেটাম ঘোষণা করা হয়।
শনিবার (১৭ আগস্ট)বিকেল ৫টায় কাজিহাল ইউনিয়নের আটপুকুর হাটে তারা এ বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিল শেষে প্রতিবাদ সভায় এলাকাবাসীর পক্ষে আল্টিমেটাম ঘোষনা করেন কাজিহাল গ্রামের ওসমান গনির ছেলে আসাদুল ইসলাম।
কাজিহাল ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মানিক রতনের অনিয়ম দুর্নীতি এবং স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে তাকে অপসারণের দাবিতে এ বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছেন এলাকাবাসী। চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে কয়েক শত মানুষ বিক্ষোভ মিছিল অংশগ্রহণ করেন।
এলাকাবাসীরা বলেন, আগামী সাতদিনের মধ্যে চেয়ারম্যান পদত্যাগ না করলে তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করাসহ ইউনিয়ন পরিষদ ঘেরাও করা হবে।
এলাকাবাসীরা অভিযোগ, উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান মানিক রতন দীর্ঘদিন থেকে তার সমর্থিত লোকজনকে সুযোগ সুবিধা দিয়ে, এলাকার অসহায় লোকদের বঞ্চিত করছেন এবং সরকারি বিভিন্ন বরাদ্দ লুটপাট করছেন।এছাড়াও মাদক ব্যবসা চোরাকাবারীসহ বিভিন্ন অনৈতিক কাজে জড়িত এমন ব্যক্তিদের সাথে চেয়াম্যানের সখ্যতা রয়েছে।
এলাকাবাসীরা বলেন, আওয়ামী সরকার পতনের পর থেকে তিনি পরিষদে আসেননি, তাতে করে বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
ওই ইউনিয়নের রশিদপুর গ্রামের আব্দুল হাই এর ছেলে আক্তার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, কাজিহাল ইউপি চেয়ারম্যান বিগত সময় প্রভাব বিস্তার করে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি করেছে।
রশিদপুর গ্রামের মৃত্যু জমির উদ্দিন মন্ডল এর ছেলে আরাফাত মন্ডল একই অভিযোগ করে বলেন, বিগত সময় গুলোতে প্রভাব বিস্তার করে তার নামেও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে চেয়ারম্যান মানিক রতন।
মিরপুর জলেশ্বরী গ্রামের নুর ইসলাম এর ছেলে আরাফাত মন্ডল বলেন, আমি ভিন্ন মতের রাজনীতি করার কারণে মানিক রতন চেয়ারম্যান বিভিন্ন সময়ে আমাকে হয়রানি মূলক মামলা দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তিনি বলেন, বিনা ভোটে নির্বাচিত এই চেয়ারম্যানের অপসারণ করতে হবে।
এবিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মানিক রতনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, দির্ঘদিন ধরে চেয়ারম্যানের পদে দায়িত্বে থাকার কারণে কিছু ব্যক্তি ঈশ্বাণিত হয়ে শত্রুতামূলকভাবে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ এনে তাকে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা করছে। তাদের এ আন্দোলনে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































