বগুড়া ব্যুরো:
যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না বলেছেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে এখনো ষড়যন্ত্র শেষ হয়নি। প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটে ধানের শীষ প্রতীক ভাঁজের মাঝখানে দিয়ে যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে সেটিও একটি সুক্ষ্ম ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে। তবে তাদের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমানের জনপ্রিয়তায় ঈর্শ্বানিত হয়ে কুচক্রী মহলের সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় যুবদল প্রস্তুত রয়েছে।
আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে বগুড়া শহরের টিএমএসএস মহিলা মার্কেট অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত যুবদলের রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভরভাবে গড়ে তুলতে তারেক রহমান সব ধরনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। ফ্যাসিস্ট সরকার যেভাবে এই দেশের সকল সেক্টরকে ধ্বংস করে গেছেন সেই অবস্থা থেকে দেশকে সঠিক পথে আনা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। তরুণদের সামনে রেখে সাম্যের ভিত্তিতে মানবিক সমাজ বিনির্মাণে তারা তৃণমূলে তারেক রহমানের বার্তা নিয়ে যাচ্ছেন ।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মুন্না বলেন, জুলাই আন্দোলন শুরুর পর তা বেগবান করে চূড়ান্ত সফলতা অর্জনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছেন তারেক রহমান। ছাত্র জনতার সাথে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের লাখ লাখ নেতাকর্মীকে সুপরিকল্পিতভাবে সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনের দিকে ধাবিত করেছিলেন তিনি। আর এখানে যুবদলের প্রতিটি ইউনিটের ব্যাপক অবদান রয়েছে। বিএনপি বরাবরই সংস্কারের পক্ষে যা ইতিমধ্যেই বিএনপির শীর্ষ নেতারা তাদের বক্তব্যে বারবার পরিষ্কার করেছেন।
রাজশাহী বিভাগের যুবদলের ৯টি ইউনিটের নেতৃবৃন্দদের নিয়ে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আহমেদ হিমেল রানার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বগুড়া জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম। সভার সঞ্চালনা করেন রাজশাহী মহানগর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি।
পিতৃভূমিতে তারেক রহমান কবে আসবেন জানতে চাইলে যুবদলের শীর্ষ এই নেতা বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়ায় আসার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন। তবে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা পূর্ব নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সিলেট বিভাগ থেকেই শুরু হবে। পরবর্তীতে সুবিধাজনক সময়ে বগুড়াসহ উত্তরাঞ্চল সফরে আসবেন তিনি। তবে গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোতে অবশ্যই নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিবেন তাদের অভিভাবক তারেক রহমান।
সভায় সাংগঠনিক পরিস্থিতি ও আসন্ন নির্বাচনী কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সর্বদা নির্বাচনী আচরণ বিধির কথা মাথায় রেখে মাঠ পর্যায়ে কাজের বিষয়ে নির্দেশনা দেন যুবদল সভাপতি।
বিভাগীয় এই মতবিনিময় সভা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বগুড়া জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক এই মতবিনিময় সভা ঘিরে নেতৃবৃন্দরা নতুন করে উজ্জীবিত হচ্ছেন। কেন্দ্রীয় যুবদল সভাপতি নিজেই সাংগঠনিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে সকলের কাছে তাদের অভিভাবক বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন। যেহেতু আগামী নির্বাচন সকলের জন্যই একটি বড় চ্যালেঞ্জ যা মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধ থাকার কোন বিকল্প নেই।
আমন্ত্রণ/এজি


































