গোলাম মোস্তাফিজুর রহমান মিলন :
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে বিজিবি বিএসফ পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভুলবশত সীমান্ত অতিক্রম করে সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা ভারতীয় অংশে ঢুকে পড়লে বিএসএফ যেন কোন ক্ষতি না করে এজন্য এই পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা যায়।
শনিবার (১৯ অক্টোবর) জয়পুরহাট ২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন হাটখোলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার২৮০/০৪ এস হতে আনুমানিক ১৫ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সোনাতলা নামক স্থানে বেলা সাড়ে বারোটা থেকে একটা পর্যন্ত বিজিবির আহবানে বিজিবি-বিএসএফ কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবির পক্ষে ০৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বদেন ২০ বিজিবির কয়া কোম্পানি কমান্ডার জেসিও নায়েক সুবেদার মো. নইমুল ইসলাম এবং বিএসএফ এর পক্ষে ০৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বদেন বিএসএফ ১৩৭ ব্যাটালিয়নের গয়েশপুর কোম্পানি কমান্ডার এসি শ্রী আংকুর। বিজিবি সুত্রে জানা যায়
গত ১৭ অক্টোবর থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত সীমান্ত পিলার ২৮০ এর সাব পিলার ৩ ও ৪ নং পর্যন্ত উভয় দেশের আইন অমান্য করে, সীমান্ত পিলার হতে ১৫ গজের মধ্যে কাঁটাতারের বেড়া বাঁশ দিয়ে জাল টানানোর প্রস্তুতি নিলে সেটি বন্ধ রাখার জন্য জোর প্রতিবাদ জানানো হয়। প্রতিবাদের কারনে গয়েশপুর কোম্পানি কমান্ডার বলেন, আমারা কাজ বন্ধ রেখেছি, আর নতুন করে কাজ করব না। এছাড়া ভুল করে সীমান্তে বসবাসরত বাংলাদেশী নাগরিক ভারতীয় সীমান্তে প্রবেশ করলে বিএসএফ যেন কোন ক্ষতি না করে সেজন্য অনুরোধ করা হয়। হাট খোলা বিওপির ক্যাম্প কমান্ডার নায়েক সুবেদার আনিছুর রহমান বলেন কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা বিএসএফ আজকে করেনি, আগের ঘটনার প্রতিবাদে এবং ভুলবশত কোন সীমান্তবাসী বাংলাদেশি ভারত সীমান্তে প্রবেশ করলে বিএসএফ যেন কোন ক্ষতি না করে আমাদের কে জানায় সে বিষয় পতাকা বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
শান্তিপূর্ণভাবে আলোচনা শেষে উভয় দেশের মঙ্গল কামনা করে উক্ত পতাকা বৈঠক সমাপ্ত করা হয়। স্থানীয় ইউপি সদস্য লাইজুর রহমান বলেন বিএসএফ সীমান্তের ধারে আসলেও কাটাতারের বেড়া দেয়নি তবে বিজিবি কড়া সতর্ক থাকায় বিএসএফ সীমান্ত থেকে সরে যায় পরে বিজিবি বিএসএফ পতাকা বৈঠক করে।
আমন্তণ/এসিজি


































