অমর চাঁদ গুপ্ত অপু :
দীর্ঘ দুইমাস সাতদিন বন্ধের পর মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) সকাল থেকে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর পার্শ্ববর্তী মধ্যপাড়া পাথরখনি ভূগর্ভ থেকে পুরোদমে শুরু হয়েছে পাথর উত্তোলন। এর আগে সোমবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে খনির ভূগর্ভ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে পাথর উত্তোলন শুরু করা হয়।
খনিটিতে পুরোদমে পাথর উত্তোলন শুরু হওয়ায় প্রতিদিন গড়ে ৫ হাজার মেট্রিক টনেরও বেশি পাথর উত্তোলন করা সম্ভব হবে বলেন খনি কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জার্মানীয়া টেস্ট কনসোর্টিয়াম-জিটিসি আশা করছে।
এদিকে খনির ভূগর্ভ থেকে পুরোদমে পাথর উত্তোলন শুরু হওয়ায় খনির উৎপাদন ও উন্নয়ন কাজে নিয়োজিত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জার্মানীয়া টেস্ট কনসোর্টিয়াম-জিটিসি’র অধিনে কর্মরত সাত শতাধিক শ্রমিক ও কর্মচারী কাজে যোগ দেওয়ায় কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে খনিতে।
মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানী লিমিটেডের (এমজিএমসিএল) মহাব্যবস্থাপক (জিএম-পিইপিএন্ডএম) আবু তালেক ফারাজী বলেন, খনির গ্রানাইট ইয়ার্ডে প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন পাথর বিক্রির জন্য মজুদ অবস্থায় খনিটির পাথর উত্তোলন বন্ধ করা হয়। পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকাকালীন সময়ে গ্রানাইট ইয়ার্ড থেকে ২ লাখ মেট্রিক টনের বেশি পাথর বিক্রি হয়েছে। ফলে বর্তমানে ৮ লাখ মেট্রিক টনের মতো পাথর বিক্রির জন্য মজুদ রয়েছে। এর সাথে যোগ হবে বর্তমানে প্রতিদিনের উত্তোলিত পাথর। এতে করে পাথর মজুদের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাবে।
জানা যায়, ১ ফেব্রুয়ারির আগ পর্যন্ত খনির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জার্মানীয়া টেস্ট কনসোর্টিয়াম-জিটিসি প্রতিমাসে পাথর উত্তোলনের পরিমাণ বৃদ্ধি করলেও, সে অনুযায়ী উত্তোলিত কয়লা বিক্রি করতে পারেনি মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানী লিমিটেডের (এমজিএমসিএল) কর্তৃপক্ষ। এতে গ্রানাইট ইয়ার্ডে বিভিন্ন সাইজের ১০ লাখ মেট্রিক টনেরও বেশি পাথরের মজুদ গড়ে ওঠে। এতে পাথর রাখান স্থান সংকুলান না হওয়ার কারণ দেখিয়ে খনির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জার্মানীয়া টেস্ট কনসোর্টিয়াম-জিটিসি তাদের অধিনে কর্মরত সাত শতাধিক শ্রমিক ও কর্মচারিকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটি দিয়ে চলতি বছরের ১ ফেব্রæয়ারি তারিখে ভূগর্ভ থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধ ঘোষণা করে। তখন থেকে দুইমাস সাত দিন বন্ধের পর সোমবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে আবারো ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ভূগর্ভ থেকে পাথর উত্তোলন কার্যক্রম শুরু করেছে।
দুইমাস পর মধ্যপাড়া পাথরখনিতে আবারো পাথর উত্তোলন শুরু
এপ্রিল ১০, ২০২৪
































