প্রদীপ মোহন্ত, বগুড়া প্রতিবেদক ও দুপচাঁচিয়া প্রতিবেদক :
গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্সের কর্ণধার জামায়াত নেতা নূর মোহাম্মদ আবু তাহের ও তার দুই সহযোগীকে নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নূর মোহাম্মদ বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার গুণাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা জামায়াতের যুব ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক। দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনাতন চন্দ্র সরকার তাকেসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এসময় দুটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান ওসি।

গ্রেপ্তার অপর দু’জন হলেন- দুপচাঁচিয়া পৌর এলাকার জয়পুর উত্তরপাড়ার সবুজ খানের ছেলে রহিম খান(২০) ও গুণাহার ইউনিয়নের পাঁচোষা গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে রমজান আলী(৩৭)। এরমধ্যে রহিম খান জামায়ত নেতা নূর মোহাম্মদের গাড়িচালক।
ওসি জানান, বুধবার মধ্যরাতে গুণাহার ইউনিয়নের সাহেব বাড়ী চত্বরে জামায়াত নেতাকর্মিরা গোপন বৈঠকে মিলিত হন। বিষয়টি জানার পর সেখানে পুলিশ অভিযান চালাতে গেলে বৈঠকে থাকা জামায়াত নেতাকর্মিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালাতে উদ্যাত হয়। এসময় ধাওয়া করে রহিম খান ও রমজান আলীকে আটক এবং ওই স্থানে তল্লাশি চালিয়ে ২টি অবিস্ফোরিত ককটেলসহ বিস্ফোরিত ককটেলের কিছু আলামত উদ্ধার করা হয়। পরে আটককৃতদের তথ্যের ভিত্তিতে বৈঠকের উদ্যোক্তা জামায়াত নেতা নূর মোহাম্মদকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়ের করে আদালণতে সোপর্দ করা হয়েছে। ওসি বলেন, নূর মোহাম্মদ ও রহিম খানের বিরুদ্ধে আগেরও বেশ কয়েকটি নাশকতার মামলা রয়েছে।
নূর মোহাম্মদের স্ত্রী মোহতাদিয়া শামীমা দাবি করেছেন, দুপচাঁচিয়া উপজেলা সদরে তার নিজের প্রতিষ্ঠান ইসলামীয়া হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে বাসায় ফেরার পথে থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি) নূর মোহাম্মদ এবং তার সঙ্গে থাকা গাড়ি চালাক আব্দুর রাহিম (১৯) এবং সহযোগী রমজান আলীকে (৩৬) আটক করে। পরে সেখান থেকে তাদেরকে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থানের পর নূর মোহাম্মদকে বগুড়ায় ডিবি পুলিশের কার্যালয়ে এবং তার দুই সহযোগীকে দুপচাঁচিয়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্সের কর্ণধার বগুড়ার জামায়াত নেতাসহ দুই সহযোগী গ্রেপ্তার, ককটেল উদ্ধার
মার্চ ৩০, ২০২৪

































