মো. নুর ইসলাম, দিনাজপুর :
দিনাজপুর জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি-এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার চালানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপি’র সভাপতি এ্যাড. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল নি¤েœ বর্ণিত লিখিত সংবাদ পাঠ করেন।
আমরা দিনাজপুর জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ লক্ষ্য করে আসছি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির দিনাজপুর জেলা কমিটির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে একটি কুচক্রি মহল সাধারণ সম্পাদককে জড়াইয়া মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন কল্প কাহিনি সাজাইয়া বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে, যা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
আপনাদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে, ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকারের আমলে দিনাজপুর জেলা বি.এন.পির সাধারণ সম্পাদকের নামে ৬২টির অধিক মামলা রয়েছে। বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় তাকে জেলেও যেতে হয়েছে। তারপরও সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি জেলা বিএনপির সভাপতি সহ সকল নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে দলকে তৃনমূল পর্যায় শক্তিশালী করার লক্ষে কাঁধেকাঁধ মিলাইয়া কাজ করে যাচ্ছেন।
৪ নং শেখপুরা ইউনিয়নের জনৈক দেবেন তির্কির মাধ্যেমে জেলা বি.এন.পির সাধারণ সম্পাদককে জড়াইয়া মিথ্যা বানোয়াট ও কটুউক্তিমূলক ভিডিও চিত্র বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে ভাইরাল করিলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বি.এন.পির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের দৃষ্টিগোচর হয়। পরবর্তীতে রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক আঃ খালেককে উক্ত ঘটনার বিষয়ে তদন্ত করার জন্য দায়িত্ব প্রদান করে। অতপর আঃ খালেক সাহেব গত ১৩/০৯/২০২৪ ইং তারেখে তদন্ত করিতে গেলে ৪নং শেখপুরা ইউনিয়ন বি.এন.পির সাধারণ সম্পাদক আবেদুল ইসলামের বাসায় গেলে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে জনৈক নিশাত কুচক্রি মহলের উষ্কানিতে উক্ত মিথ্যা ও কাল্পনিক ভিডিও প্রস্তুত করিয়া জেলা বি.এন.পির সাধারণ সম্পাদককে রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন করিবার মানষে একটি পক্ষ নিজে ক্ষেত্র প্রস্তুত করিয়া গণমাধ্যমে প্রচার করে বলিয়া স্বীকার করেন। উক্ত ঘটনার তদন্ত চলাকালিন সময়ে মোস্তফা কামাল মিলনের নেতৃত্বে প্রায় ২০ হইতে ২৫ জন সন্ত্রাসী আবেদুলের বাসায় যায়। আঃ খালেক সাহেবকে আটক রাখিবার ঘটনা জানাজানি হইলে মহুর্তের মধ্যে এলাকার লোকজন আসিয়া কেন্দ্রীয় নেতা সহ-সাংগঠনিক আঃ খালেককে উদ্ধার করিয়া তাহাকে গাড়ীতে উঠাইয়া দেওয়া মাত্র এলাকাবাসীর সহিত মিলন গ্রæপের সন্ত্রাসীর মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও মারামারী হয়। পরবর্তীতে আমরা আরো লক্ষ করি গত ০৬/১০/২০২৪ ইং তারিখে মোস্তফা কামাল মিলন গং এর সদস্য সাহিন ও তার পরিবার নিয়ে একটি মিথ্যা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট ঘটনা সাজিয়ে মানববন্ধন করে।
সাধারণ সম্পাদক সাহেব দিনাজপুর জেলা বিএনপির, কার্যালয়ে মিটিং চলা অবস্থায় উক্ত ঘটনার সংবাদ পাইলে তাৎক্ষনিক কোতয়ালী থানায় অবগতি করিলে পুলিশ এবং সেনাবাহিনী ঘটনা স্থলে উপস্থিত হইয়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। প্রকৃতপক্ষে উক্ত ঘটনার বিষয়ে উল্লেখ করে ৪নং শেখপুরা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবেদুল ইসলাম দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যাহার নম্বর-জি.আর-৫৫৮/২৪ হইতেছে।
পরবর্তীতে কুচক্রি মহলের পরামর্শে সাধারণ সম্পাদকসহ দলীয় ৩২জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলার ঘটনার সহিত সাধারণ সম্পাদক সহ নেতাকর্মীদের কোন প্রকার সম্পৃক্ততা নাই। শুধু মাত্র ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করার অসৎ উদ্দেশেই মামলাটি করেন বলে আমরা মনে করি।
আপনাদের মাধ্যমে দিনাজপুর জেলা বি.এন.পি, সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তিব্র নিন্দা, ঘৃনা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং আপনাদেরকে সত্যতা অন্বেষন করতঃ গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ করছি।
আপনাদের সকলকে এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত থাকার জন্য কৃতজ্ঞতাসহ ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আমন্ত্রণ/এসিজি
দিনাজপুর জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি-এর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
অক্টোবর ৯, ২০২৪
































