মো. জোবায়ের আলী জুয়েল :
১৯২৬ সালে উত্তম কুমার অহিরী টোলার এক ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম ছিল সাত কড়ি চট্টোপাধ্যয়। দু’ভাইয়ের মধ্যে উত্তম কুমার ছিলেন অগ্রজ। তাঁদের যথাক্রমে নাম ছিল অরুন কুমার ও তরুণ কুমার। বাংলা চলচ্চিত্রের প্রবাদ পুরুষ উত্তম কুমার ২০০টির বেশী চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। সর্ব প্রথম পারিশ্রমিকের বিনিময়ে তাঁর অভিনীত ছবির নাম ছিল “মায়া ডোর”। এই ছবিটি ছিল হিন্দী ছবি। ছবিটি কখনই মুক্তি পায়নি। আড়াই যুগেরও বেশী সময় ধরে বাংলা চলচ্চিত্রে উত্তম কুমার দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেন।
১৯৪৯ সালে নায়ক হিসাবে উত্তম কুমার সর্ব প্রথম আত্ম প্রকাশ করেন নব্য সুন্দর ব্যানার্জীর “কামনা” ছবিতে। নায়িকা ছিলেন ছবি রায়। ছবিটি সাফল্য লাভ করতে পারে নাই। দিগম্বর চ্যাটার্জীর “মর্যাদা” ছবিতে উত্তম কুমারের নাম ছিল অরূপ কুমার। অগ্রদূত পরিচালিত “সহযাত্রী” ছবিতে তাঁর নাম, পরিবর্তন করে রাখা হয়েছিল “উত্তম কুমার”। পরিণতঃ বয়সে ১৯৫০ সালের ১লা’জুন ২৪ বছর বয়সে তিনি গৌরি দেবীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। কর্ম জীবনে তিনি কোলকাতায় কেরানীগিরী চাকরী করতেন। উত্তম কুমারের পুত্র গৌতম কুমার ১৯৫১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর কোলকাতায় জন্ম গ্রহণ করেন। ১৯৫২ সালে তাঁর মুক্তি প্রাপ্ত “সঞ্জীবনী” ছবিতে তিনি সার্থকভাবে অভিনয় করেছিলেন। এই ছবিটির নায়িকা ছিলেন সন্ধ্যা রাণী। ছবির দর্শক ও সাংবাদিকগণ তাঁর এই ছবির ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন।
১৯৫২ সালে “বসূ পরিবার” মুক্তি প্রাপ্ত ছবিতে তাঁর নায়িকা ছিলেন সূপ্রিয়া দেবী, এবং এটাই সূপ্রিয়া দেবীর সঙ্গে তাঁর অভিনীত প্রথম ছবি। ১৯৫৩ সালে “সাড়ে চুয়াত্তর” ছবির মাধ্যমে উত্তম কুমার ও সূচিত্রা সেন সর্ব প্রথম একত্রে অভিনয় করেন। প্রথম পেশাদার মঞ্চে অভিনয় করেছিলেন নায়কের ভূমিকায়। ১৯৫৬ সালে উত্তম কুমার “নব জন্ম” ছবিতে নচিকেতা ঘোষের সূরে মোট ৬টি গান গেয়েছিলেন। উত্তম কুমার গায়ক হিসাবেও প্রসিদ্ধ লাভ করতে পারতেন। ১৯৫৭ সালে “হারানো সূর” ছবিতে উত্তম কুমার প্রযোজক ছিলেন। ১৯৫৭ সালে “তাসের ঘর” ছবিতে উত্তম কুমার সর্ব প্রথম দ্বৈত ভূমিকায় অভিনয় করেন এবং ঐ বছরই ১৯৫৭ সালেই তাঁর অভিনীত “পথে হলো দেরী” ছবিটি সর্ব প্রথম রঙ্গীন ছবি হিসাবে মুক্তি পায়। ১৯৫৯ সালে ৭ ডিসেম্বর উত্তম কুমারের পিতা সাত কড়ি চ্যাটার্জী মৃত্যু বরণ করেন। ১৯৬৬ সালে তিনি “শুধু এক বছর” ছবিটি পরিচালনা করে পরিচালক হিসাবেও আত্মপ্রকাশ করেন এবং ঐ বৎসরই ১৯৬৬ সালে বিখ্যাত পরিচালক সত্য জিৎ রায়ের “নায়ক” ছবিতে অরিন্দ্রমের ভূমিকায় অভিনয় করেন। “নায়ক” ছবির জন্য সত্য জিৎ রায়ের সঙ্গে বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দেন। এটাই তাঁর জীবনে প্রথম বিদেশ যাত্রা। ১৯৬৬ সালে “কাল তুমি আলেয়া” ছবিতে উত্তম কুমার দ্বৈত ভূমিকায় অভিনয় করেন। সর্বপ্রথম হিন্দী ছবি “ছোটিসী মোলাকাত” ছবিতে উত্তম কুমার নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন। এ ছবিতে তাঁর নায়িকা ছিলেন বম্বের বিখ্যাত নায়িকা “বৈজয়ন্তী মালা”। ১৯৬৭ সালে “এ্যান্টোনি ফিরিঙ্গী” ও চিড়িয়াখানা” ছবিতে অভিনয়ের জন্য সর্ব প্রথম ভারতীয় পুরুস্কার লাভ করেন। ১৯৬৯ সালে ১৯ জানুয়ারী কোলকাতা কর্পোরেশন সর্ব প্রথম উত্তম কুমারকে নাগরিক সম্বর্ধনা জানিয়েছিল। তাঁর চলচ্চিত্রে শেষ অভিনীত ছবি ছিল সলিল দত্ত পরিচালিত “ওগো বধূ সূন্দরী”।
১৯৮০ সালের ২৪ জুলাই বৃহস্পতিবার রাত ৯-২৫ মিনিটে উত্তম কুমার কোলকাতার “বেলভিউ ক্লিনিকে” শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৫৪ বছর। নীচে উত্তম কুমারের অভিনীত সমস্ত ছবির তালিকা প্রদত্ত হলো। পাঠক, পাঠিকাদের কৌতুহল নিবৃত্তির জন্য এখানে উত্তম কুমারের সঙ্গে অভিনীত সমস্ত নায়িকার নাম ও ছবির নাম তুলে ধরা হলোÑ
(১) মায়াডোর (এ ছবিতে উত্তম কুমার সাত দিনের মত কাজ করেছিলেন। ছবিটি কখনই মুক্তি পায়নি।) (২) দৃষ্টি দান (৩) কামনা (ছবি রায়) (৪) মর্যাদা (স্মৃতি রেখা বিশ্বাস) (৫) ওরে যাত্রী (করবী গুপ্তা) (৬) সহযাত্রী (ভারতী দেবী) (৭) নষ্ট নীড় (সুনন্দা দেবী) (৮) বসূ পরিবার (সূপ্রিয়া দেবী, সাবিত্রী চ্যাটার্জী) (৯) কার পাপে (মঞ্জুদে) (১০) সাড়ে চুয়াত্তর (সূচিত্রা সেন, উত্তম সূচিত্রা জুটির প্রথম ছবি) (১১) ওরা থাকে ও ধারে (সূচিত্রা সেন) (১২) মরণের পরে (সূচিত্রা সেন) (১৩) সদানন্দের মেলা (সূচিত্রা সেন) (১৪) অন্ন পূর্ণার মন্দির (সূচিত্রা সেন) (১৫) অগ্নি পরীক্ষা (সূচিত্রা সেন) (১৬) গৃহ প্রবেশ (সূচিত্রা সেন) (১৭) সাঝের প্রদীপ (সূচিত্রা সেন) (১৮) শাপ মোচন (সূচিত্রা সেন) (১৯) সবার উপরে (সূচিত্রা সেন) (২০) সাগরিকা (সূচিত্রা সেন) (২১) একটি রাত (সূচিত্রা সেন) (২২) ত্রিপমা (সূচিত্রা সেন, অনূভা গুপ্তা) (২৩) শিল্পী (সূচিত্রা সেন) (২৪) হারানো সূর (সূচিত্রা সেন) (২৫) চন্দ্রনাথ (সূচিত্রা সেন) (২৬) পথে হলো দেরী (সূচিত্রা সেন) (২৭) জীবন তৃষ্ণা (সূচিত্রা সেন) (২৮) রাজ ল²ী ও শ্রীকান্ত (সূচিত্রা সেন) (২৯) ইন্দ্রানী (সূচিত্রা সেন) (৩০) সূর্য তোরণ (সূচিত্রা সেন) (৩১) চাওয়া পাওয়া (সূচিত্রা সেন) (৩২) সপ্ত পদী (সূচিত্রা সেন) (৩৩) বিপাশা (সূচিত্রা সেন) (৩৪) গৃহদাহ (সূচিত্রা সেন) (৩৫) কমললতা (সূচিত্রা সেন) (৩৬) নবরাগ (সূচিত্রা সেন) (৩৭) আলো আমার আলো (সূচিত্রা সেন) (৩৮) হার মানা হার (সূচিত্রা সেন) (৩৯) প্রিয় বান্ধবী (সূচিত্রা সেন) (৪০) উত্তর মেঘ (সূপ্রিয়া চৌধূরী) (৪১) সোনার হরিণ (সূপ্রিয়া চৌধূরী) (৪২) শুন বর নারী (সূপ্রিয়া দেবী) (৪৩) অগ্নি সংস্কার (সূপ্রিয়া দেবী) (৪৬) লাল পাথর (সূপ্রিয়া দেবী) (৪৭) শুধু একটি বছর (সূপ্রিয়া দেবী) (৪৮) কাল তুমি আলেয়া (সূপ্রিয়া দেবী) (৪৯) জীবন মৃত্যু (সূপ্রিয়া দেবী) (৫০) চৌরঙ্গী (সূপ্রিয়া দেবী, অঞ্জনা ভৌমিক) (৫১) তিন অধ্যায় (সূপ্রিয়া দেবী) (৫২) সাবর মতি (সূপ্রিয়া দেবী) (৫৩) চিরদিনের (সূপ্রিয়া দেবী) (৫৪) মন নিয়ে (সূপ্রিয়া দেবী) (৫৫) বিলম্বিত প্রলয় (সূপ্রিয়া দেবী, দীবা) (৫৬) জীবন জিজ্ঞাসা (সূপ্রিয়া দেবী) (৫৭) অন্ধ অতীত (সূপ্রিয়া দেবী) (৫৮) ছিন্ন পত্র (সূপ্রিয়া দেবী, মাধবী চক্রবর্তী) (৫৯) বন পলাশির পদাবলী (সূপ্রিয়া দেবী) (৬০) রক্ত তিলক (সূপ্রিয়া দেবী) (৬১) যদি জানতেম (সূপ্রিয়া দেবী) (৬২) সন্যাসি রাজা (সূপ্রিয়া দেবী) (৬৩) বাঘ বন্দী খেলা (সূপ্রিয়া দেবী) (৬৪) ভোলা ময়রা (সূপ্রিয়া দেবী) (৬৫) মোমবাতি (সূপ্রিয়া দেবী) (৬৬) বিহ্ন শিখা (সূপ্রিয়া দেবী) (৬৭) সব্যসাচী (সূপ্রিয়া দেবী) (৬৮) সিষ্টার (সূপ্রিয়া দেবী) (৬৯) দুই পুরুষ (সূপ্রিয়া দেবী) (৭০) দেবদাস (সূপ্রিয়া দেবী, সূমিতা মূখার্জী) (৭১) দুই পৃথিবী (সূপ্রিয়া দেবী) (৭২) লাখ টাকা (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৭৩) চাঁপা ডাঙ্গার বউ (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৭৪) কল্যাণী (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৭৫) অনূপমা (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৭৬) দেবত্র (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৭৭) রাত ভোর (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৭৮) নবজন্ম (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৭৯) যাত্রা হলো শুরু(সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৮০) তাসের ঘর (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৮১) পূর্ণ মিলন (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৮২) অভয়ের বিয়ে (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৮৩) ডাক্তার বাবু (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৮৪) মরুতীর্থ হিংলাজ (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৮৫) গলি থেকে রাজপথ (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৮৬) অবাক পৃথিবী (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৮৭) রাজ সাজা (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৮৯) হাত বাড়ালেই বন্ধু (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৯০) দুই ভাই (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৯১) সূপ্রিয়া (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৯২) ভ্রান্তি বিলাস (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৯৩) মোমের আলো (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৯৪) নিশি পদ্ম (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৯৫) মঞ্জুরী অপেরা (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৯৬) ধন্যি মেয়ে (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী, জয়া ভাদূড়ী) (৯৭) মৌচাক (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৯৮) সেই চোখ (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (৯৯) ব্রজবুলি (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী) (১০০) রাজ বন্দীনি (সাবির্ত্রী চ্যাটার্জী, সূমিত্রা মূখার্জী) (১০১) অপরিচিত (অপর্ণা সেন) (১০২) কলঙ্কিত নায়ক (অপর্ণা সেন) (১০৩) এখানে পিঞ্জর (অপর্ণা সেন) (১০৪) জয় জয়ন্তি (অপর্ণা সেন) (১০৫) মেম সাহেব (অপর্ণা সেন) (১০৬) কায়াহীনের কাহিনী (অপর্ণা সেন) (১০৭) রাতের রজনীগন্ধা (অপর্ণা সেন) (১০৮) সোনার খাঁচা (অপর্ণা সেন) (১০৯) আলোর ঠিকানা (অপর্ণা সেন) (১১০) যদূ বংশ (অপর্ণা সেন) (১১১) কাজল লতা (অপর্ণা সেন) (১১২) নিধিরাম সর্দার (অপর্ণা সেন) (১১৩) চাঁদের কাছাকাছি (অপর্ণা সেন) (১১৪) সঞ্জীবনী (সন্ধ্যা রাণী) (১১৫) মন্ত্র শক্তি (সন্ধ্যা রাণী) (১১৬) বিধি লিপি (সন্ধ্যা রাণী) (১১৭) কঙ্কাবতীর ঘাট (সন্ধ্যা রাণী, অনূভা গুপ্তা) (১১৮) ব্রত চারিনী (সন্ধ্যা রাণী) (১১৯) বড় দিদি (সন্ধ্যা রাণী) (১২০) হ্রদ (সন্ধ্যা রাণী) (১২১) বকুল (অরুন্ধতী মুখার্জী) (১২২) মানময়ী গালর্স স্কুল (অরুন্ধতী মুখার্জী) (১২৩) শিকার (অরুন্ধতী মুখার্জী) (১২৪) বিচারক (অরুন্ধতী মুখার্জী) (১২৫) পুস্পাধনূ (অরুন্ধতী মুখার্জী) (১২৬) শিউলী বাড়ী (অরুন্ধতী মুখার্জী) (১২৭) ঝিন্দের বন্দি (অরুন্ধতী দেবী) (১২৮) জতু গৃহ (অরুন্ধতী দেবী) (১২৯) মায়ামৃগ (সন্ধ্যা রায়) (১৩০) সূর্যতপা (সন্ধ্যা রায়) (১৩১) ধনরাজ তামাং (সন্ধ্যা রায়) (১৩২) দর্পচুর্ণ (সন্ধ্যা রায়) (১৩৩) বউ ঠাকুরাণীর হাট (সন্ধ্যা রায়) (১৩৪) উপহার (মঞ্জু দে) (১৩৫) লক্ষ হীরা (মঞ্জু দে) (১৩৬) পুত্র বধু (মালা সিন্হা) (১৩৭) পৃথিবী আমারে চায় (মালা সিন্হা) (১৩৮) সূরের পরশ (মালা সিন্হা) (১৩৯) বন্ধু (মালা সিন্হা) (১৪০) খেলাঘর (মালা সিন্হা) (১৪১) শহরের ইতিকথা (মালা সিন্হা) (১৪২) সাথী হারা (মালা সিন্হা) (১৪৩) নবীন যাত্রা (মায়া মূখার্জী) (১৪৪) মনের ময়ূর (ভারতী দেবী) (১৪৫) রাই কমল (কাবেরী বসূ) (১৪৬) সাহেব বিবি গোলাম (অনূভা গুপ্তা, সূমিত্রা দেবী) (১৪৭) চির কুমার সভা (অনীতা গুহ) (১৪৮) শঙ্কর নারায়ণ ব্যাঙ্ক (কাবেরী বসূ) (১৪৯) শ্যামলি (কোবেরী বসূ) (১৫০) হার জিৎ (অনীতা গুহ) (১৫১) যৌতুক (সূমিত্রা দেবী) (১৫২) খোকা বাবুর প্রত্যাবর্তন (সূমিত্রা স্যানাল) (১৫৩) সখের চোর (বাসবী নন্দী) (১৫৪) নেকলেস (সুনীতা দেবী) (১৫৫) কান্না (বাসবী নন্দী) (১৫৬) শেষ অংক (শর্মিলা ঠাকুর) (১৫৭) শেষ লগ্নে (সূমিত্রা মূখার্জী) (১৫৮) দেয়া নেয়া (তনুজা) (১৫৯) বিভাস (ললিতা চ্যাটার্জী) (১৬০) নতুন তীর্থ (সূলতা চৌধুরী (১৬১) থানা থেকে আসছি (মাধবী মূখার্জী) (১৬২) রাজকন্যা (রাণী ঘোষ) (১৬৩) রাজদ্রোহী (অঞ্জনা ভৌমিক) (১৬৪) নায়ক (শর্মিলা ঠাকুর) (১৬৫) শংখ বেলা (কণিকা মজুমদার) (১৬৬) নায়িকা সংবাদ (অঞ্জনা ভৌমিক) (১৬৭) চিড়িয়াখানা (কণিকা মজুমদার) (১৬৮) এ্যান্টনী ফিরিঙ্গী (তনুজা) (১৬৯) গড় নাসিমপুর (মাধবী মূখার্জী) (১৭০) কখনো মেঘ (অঞ্জনা ভৌমিক) (১৭১) শুক সারি (অঞ্জনা ভৌমিক) (১৭২) দু’টি মন (সূপর্ণা সেন) (১৭৩) রাজকুমারী (তনুজা) (১৭৪) ছেঅটি সি মোলাকাত, হিন্দী ছবি (বৈজয়ন্তী মালা) (১৭৫) ছদ্ম বেশী (মাধবী চক্রবর্তী) (১৭৬) বিরাজ বৌ (মাধবী চক্রবর্তী) (১৭৭) স্ত্রী (আরতি ভট্টাচায্য) (১৭৮) রৌদ্র ছায়া (অঞ্জনা ভৌমিক (১৭৯) রোদন ভরা বসন্ত (বাসবী নন্দী) (১৮০) বিকালে ভোরের ফুল (সূমিত্রা মূর্খার্জী) (১৮১) অমানুষ, বাংলা ও হিন্দী (শর্মিলা ঠাকুর) (১৮২) আমিসে সখা (কাবেরী বসূ) (১৮৩) অগ্নিশ্বর (মাধবী চক্রবর্তী) (১৮৪) নগর দর্পনে (কাবেরী বসূ) (১৮৫) হোটেল স্নো ফক্স (মিঠু মূখার্জী) (১৮৬) আনন্দ মেলা (আরতি ভট্টাচার্য) (১৮৭) রাজ বংশ (আরতি ভট্টাচার্য) (১৮৮) জাল সন্ন্যাসি (আরতি ভট্টাচার্য) (১৮৯) আনন্দ আশ্রম, বাংলা ও হিন্দী (শর্মিলা ঠাকুর) (১৯০) নিশান (আরতি ভট্টাচার্য) (১৯১) বন্দী, বাংলা ও হিন্দী (সূলক্ষনা পন্ডিত) (১৯২) সূনয়নী (শকুন্তলা বড়–য়া) (১৯৩) নব দিগন্ত (সূমিত্রা মূখার্জী) (১৯৪) শ্রী কান্তের উইল (সূমিত্রা মূখার্জী) (১৯৫) সমাধান (গায়িত্রি মূখার্জী) (১৯৬) কিতাব, হিন্দী (বিদ্যা সিন্হা) (১৯৭) দূনিয়া, হিন্দী (শর্মিলা ঠাকুর) (১৯৮) পঙ্খীরাজ (নন্দিতা বসূ) (১৯৯) প্রতিশোধ (সাবিত্রী চ্যাটার্জী) (২০০) আরো একজন (সূমিত্রা মূখার্জী) (২০১) ওগো বধু সূন্দরী (সূমিত্রা মূখার্জী) উত্তমের শেষ অভিনীত ছবি।
উত্তম কুমার আজ আর আমাদের মাঝে নেই। তাঁর মৃত্যু ৪১ বছর হতে চলেছে, বাংলা চলচ্চিত্রের প্রবাদ পুরুষ উত্তম কুমারের বিকল্প আজোও তৈরী হয়নি। বাংলা চলচ্চিত্র অঙ্গনে উত্তম কুমারের শূন্যতা আমাদের হৃদয়ে করুনভাবে অহরহ বিরাজ করছে। আমাদের বাংলা চলচ্চিত্রে কবে এ শূণ্যতা পূরণ হবে, তা’শুধু ভবিষ্যতেই বলতে পারে।


































