এনায়েতপুর সংবাদদাতা :
সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ৪ আগস্ট থানায় অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর করা হয় সে সঙ্গে ১৫ পুলিশকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের ছয় নেতার নাম উল্লেখ্য করে অজ্ঞাত আরও ৫০০০ থেকে ৬০০০ জনকে আসামি করে পুলিশ মামলা দায়ের করেছেন।
এছাড়াও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে দুর্বৃত্তরা হামলার পরে ওই সময় ৫টি পিস্তল ও ৮টি ম্যাগজিন, ১টি চায়না পিস্তল ও ২টি ম্যাগজিন, ৪টি চায়না রাইফেল ও ৩৭টি চার্জার, ২টি চায়না রাইফেল টাইপ ও ২টি ম্যাগজিন, ৬টি ১২ বোর শটগান, ১টি ৩৮ মি.মি গ্যাস গান লঞ্চার, ৭.৬২/৩৯ মি.মি গুলি ১৬৮ রাউন্ড, ৭.৬২/২৫ মি.মি গুলি ১৬ রাউন্ড,৯/১৯ মি.মি গুলি ৬০ রাউন্ড, ১২ রোব শটগান (রাবার কার্তুজ) ২২৭ রাউন্ড, ১২ রোব শটগান (লেটবল কার্তুজ) ৩৫৯ রাউন্ড, লং রেঞ্জ গ্যাস শেল ৩৮ রাউন্ড, শর্ট রেঞ্জ গ্যাস শেল ৩৬ রাউন্ড লুট করে নিয়ে যায়।
এরপর থেকে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযানে নামে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও যৌথবাহিনীর সদস্যরা। সর্বশেষ টানা দু’দিন ধরে থানার পাশেই একটি পুকুরের পানি সেচে তলদেশ থেকে বৃহস্পতিবার দুপুরে এনায়েতপুরে থানা থেকে লুট হওয়া দু’টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। যৌথবাহিনীর উদ্যোগে উদ্ধার হওয়া ওই অস্ত্র দু’টির মধ্যে একটি হলো চাইনিজ রাইফেল, অন্যটি শটগান। এছাড়াও পানি সেচে একটি গ্যাস সেল, একটি ওয়ারলেস ও দুই রাউন্ড শটগানের গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, অস্ত্রগুলো লুট করার পর দুর্বৃত্তরা পুকুরে ফেলে দেয়।
এ ব্যাপারে এনায়েতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রওশন ইয়াজদানী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পুকুরের পানি সেচে একটি চাইনিজ রাইফেল ও একটি শটগান উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও একটি ওয়ারলেস ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত সাতটি অস্ত্র উদ্ধার করা হলেও এখনও ৯টি অস্ত্র এবং বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ লুটের তালিকায় রয়েছে। যৌথবাহিনীর উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































