বগুড়া ব্যুরো :
বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় হামলায় যুবদল নেতা রাশেদ মিঞা নিহতের ঘটনায় ২০ জনের নামে মামলা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরও ২৫ জনকে। রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে সোনাতলা থানায় এ মামলা করেন নিহত রাশেদুল মিঞার মা ওজেনা বেগম। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ মিলাদুন্নবী।
আসামিদের মধ্যে আছেন পাকুল্যা বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়ামুল কবির, তাঁর চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীর আলম এবং পাকুল্যা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুল হান্নান। নিহত রাশেদ মিঞা পাকুল্যা ইউনিয়ন যুবদলের আহŸায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। গত শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, কিছুদিন আগে পাকুল্যা বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে দ্ব›েদ্বর জেরে পাকুল্যা এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পাকুল্যা বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়ামুল কবির স্বপদে বহাল থাকার জন্য তাঁর চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীর আলমকে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে বহাল রাখার জন্য গোপনে নানা অপচেষ্টা করছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ২ ফেব্রæয়ারি ব্যবস্থাপনা কমিটি বাতিল এবং প্রধান শিক্ষকের অপসারণ চেয়ে মানববন্ধন করে। এ সময় প্রধান শিক্ষকের মদদে পাকুল্যা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হান্নানসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগের দোসররা শিক্ষার্থীদের ওপর অতর্কিত হামলা করে এবং মানববন্ধনের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে।
আমন্ত্রণ/এসিজি
বগুড়ায় যুবদল নেতা নিহতের ঘটনায় বিএনপি নেতা শিক্ষকসহ ২০ জনের নামে মামলা
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৫


































