বগুড়া ব্যুরো ও গাবতলী প্রতিনিধি :
বগুড়ার সারিয়াকান্দি থেকে নিখোঁজের ৮দিন পর এক স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। হত্যার পর তার ফুপুর বাড়ির গোয়াল ঘরে লাশটি পুঁতে রাখা হয়েছিলো। এই ঘটনায় তার ফুফাতো ভাই ও গ্রামের এক চাচাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটক ওই দুজন হত্যার কথা স্বীকার করেছে। ধুমপানে (সিগারেট সেবন) নিষেধ করা নিয়ে দ্ব›েদ্ব নাসিরুল ইসলাম নাসিম (১৪) নামের ওই স্কুলছাত্রকে হত্যা করা হয় বলে তারা পুলিশকে জানিয়েছে।

নিহত নাসিম সারিয়াকান্দি উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়ার ওয়াজেল মন্ডলের ছেলে। সে ফুলবাড়ি গমির উদ্দিন স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিল। গত সোমবার রাতে পাশর্^বর্তী গাবতলী উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়নের ঈশ্বরপুর গ্রামে তার ফুপুর বাড়ির গোয়াল ঘর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- গাবতলী উপজেলার ঈশ্বরপুর পূর্বপাড়ার রফিকুল ইসলামের ছেলে এনামুল হক (২০) ও সারিয়াকান্দি উপজেলার ফুলবাড়ি পশ্চিম পাড়ার আব্দুল জলিল মÐলের ছেলে ফিরোজ ইসলাম (১৯)। এরমধ্যে এনামুল সম্পর্কে নাসিমের ফুফাতো ভাই এবং ফিরোজ প্রতিবেশী চাচা।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুর রশিদ এতথ্য নিশ্চিত করে জানান, গত ২৫ ফেব্রæয়ারি রাত ৮টার দিকে নাসিম বাড়ি থেকে বের হয় নিখোঁজ হয়। পরদিন তার বাবা সারিয়াকান্দি থানায় সাধারণ ডায়েরি(জিডি) করেন। গত ৩ মার্চ নাসিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে তার বাবার নম্বরে একটি ম্যাসেজ পাঠানো হয়। সেখানে নাসিমের মুক্তিপণের জন্য ৮০ হাজার টাকা দাবি করা হয়।
নাসিমের বাবার জিডি এবং পরবর্তীতে পাঠানো ম্যাসেজের সূত্র ধরে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। এক পর্যায়ে তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে তার প্রতিবেশী চাচা ফিরোজ ও ফুফাতো ভাই এনামুলকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যা করে লাশটি পুঁতে রাখার তথ্য দেয়। সেই তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতে এনামুলের বাড়ির গোয়াল ঘরের মাটি খনন করে বস্তাবন্দি লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় এনামুলের বাবা-মা বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। নিহত নাসিমের বাবা এই ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করবেন বলেও জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।
বগুড়ায় ধুমপানে নিষেধ করায় স্কুলছাত্রকে হত্যা আট দিন পর লাশ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২
মার্চ ৬, ২০২৪
































