বগুড়া ব্যুরো :
বগুড়ায় কেন্দ্রীয় শহীদ খোকন পার্কে শহীদ মিনার নির্মাণের কাজ টিমেতালে চলছে। চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল আগের শহীদ মিনার ভেঙে সেখানে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আদলে নতুন করে নির্মাণ কাজ শুরু হলেও সেই কাজ চলছে ধীরগতিতে।
আজ রোববার (১ ডিসেম্বর) গিয়ে দেখা যায়, সেখানে মাত্র দুজন শ্রমিক ফ্লোর ঢালাইয়ের কাজ করছেন। তাদের দাবি তারা মোট তিনজন ছিলেন কাজে। তারা আরও বলছেন, প্রতিদিন তিন থেকে পাঁচজন পর্যন্ত কাজ করছেন তারা।
৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত শহিদ মিনারটির প্রকল্প মেয়াদ গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাকলেও তা বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কাজের গতি অনুযায়ি আগামী এক মাসের মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না। তারপরও শহীদ খোকন পার্কে বসছে তথ্য মেলার আসর, এতে নির্মাণ কাজ বিঘিœত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, স্বাধীনতার পর শহরের শহীদ খোকন পার্কে ইটের গাঁথুনি দিয়ে সামান্য উঁচু করে অস্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়। ১৯৭৮ সালে বগুড়ার কারুশিল্পী প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল করিম দুলালের নকশায় শহীদ খোকন পার্কের উত্তর-পূর্ব কোণে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারটি নির্মাণ করা হয়।
বগুড়াবাসীর সহায়তায় এক নতুন নকশার শহীদ মিনার নির্মাণ করেন তিনি। ২০০৫ সালে বগুড়া শহর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নতুন শহীদ মিনার স্থাপন করা হয়। নানা কারণে তা ভেঙে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ সাপেক্ষে সেখানে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আদলে নতুন শহীদ মিনার নির্মাণ কাজ শুরু হয়। নির্মাণ কাজটি তত্ত¡াবধানে রয়েছে বগুড়া জেলা পরিষদ।
বগুড়া জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মোহায়েদুল ইসলাম বলেন, বগুড়ার কেন্দ্রীয় শহীদ নির্মাণ কাজের মেয়াদ বাড়িয়ে চলতি ডিসম্বরের ৩১ তারিখ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। আগের শহীদ মিনারটি ভেঙে সেখানে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আদলে নির্মাণ কাজ শুরু করতেই দেরি হয়ে যায়।
তারপর দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আরেক দফা কাজ বন্ধ থাকে। তবে এখন কাজ পুরোদমে চলছে। তিনি বলেন, আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়েই কাজ চলছে, তবে কোন কারণে তা সম্ভব না হলে হয়তো সময় আরও বাড়াতে হবে। তবে আগামী ২১ ফেব্রæয়ারি এখানে শহীদ দিবস পালন করা হতে পারে।
আমন্ত্রণ/এসিজি
বগুড়ায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণকাজে মন্থরগতি
ডিসেম্বর ১, ২০২৪


































