রীতা রানী কানু :
ঘনিয়ে আসছে ঈদ। শনিবার (৬ এপ্রিল) উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরশহরের মধ্যবিত্তের মার্কেট হিসেবে পরিচিত ভূমি অফিস সংলগ্ন গামার গলির মার্কেটে। পছন্দের পোশাক কিনতে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরে বেড়িয়েছেন ক্রেতারা। তবে উচ্চবিত্তের দয়াল মার্কেট, খন্দকার মার্কেট, পুরাতন কাপড়পট্টি মার্কেট, দামি শপিংমলগুলোতে ক্রেতার ভিড় তুলনামূলক কম ছিল।
ফুলবাড়ী থানা ব্যবসায়ী সমিতির আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য মো. আব্দুল কাইয়ুম জানান, এ বছর দেরিতে মার্কেট জমেছে। ছুটির দিনে ভালো কেনাবেচার করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো তাদের পছন্দের পোশাক কিনতে মধ্যবিত্তের মার্কেট ও ফুটপাতে ভিড় করছেন।
শনিবার (৬ এপ্রিল) ফুলবাড়ী পৌরশহরের মার্কেটগুলো ঘুরে দেখা গেছে, মানুষের প্রচন্ড ভিড়। ফুটপাত ও সড়ক দখল করে নতুন দোকান বসানো হয়েছে। এতে হাঁটার পথ সংকুচিত হয়ে গেছে। হেঁটে মার্কেটে প্রবেশ করতেই বেগ পেতে হচ্ছে ক্রেতাদের। প্রতিটি দোকানই ক্রেতায় ঠাঁসা। ক্রেতা সামলাতে ব্যস্ত দোকানিরা কথা বলার ফুরসত পাচ্ছেন না।
জেন্স ফ্যাশনের স্বত্বাধিকারী মো. হাসু বলেন, প্রতি বছর ১২-১৫ রোজার পর থেকেই কেনাকাটা জমে ওঠে। কিন্তু এ বছর গত বুধবার (৩ এপ্রিল) পর্যন্ত তেমন ক্রেতা ছিল না। বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) রাত থেকে ক্রেতা আসতে শুরম্ন করেছেন। চাঁদরাত পর্যন্ত বিক্রি আরও বাড়বে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
কলেজ শিক্ষক সুফিয়া বলেন, গত বছরের তুলনায় সব বয়সের ছেলে-মেয়েদের পোশাকের দাম অনেক বেশি। তাছাড়া পোশাকের চেয়েও মনে হচ্ছে জুতার দাম বেশি। রয়েছে প্রসাধন সামগ্রী। চড়া দামে কিনলেও আতঙ্কে থাকতে হয় আসলে আসল কী না? এ সন্দেহ-সংশয় নিয়ে।
রাজমিস্ত্রি মো. বাবু ইসলাম ছেলেমেয়েদের পোশাক কিনতে মধ্যবিত্ত মার্কেটে এসেছেন। প্রচন্ড ভিড় ও গরমে মার্কেটে থাকা কষ্ট হচ্ছে। এ বছর পোশাকের দাম গত বছরের তুলনায় বেশি বলে তিনি জানান।
স্বপ্ন সিঁড়ি ফ্যাশনের স্বত্বাধিকারী মো. সোহেল খান বলেন, গরমের কারণে দিনের বেলা ক্রেতা কম আসছেন। রাতে ভিড় বাড়ছে। তবে অন্যান্য বছর এ সময় ভিড় বেশি হলেও এ বছর ক্রেতা কিছুটা কম। তবে দু-একদিনের মধ্যে ক্রেতাদের ভিড় বেড়ে যাবে।
ফুলবাড়ীতে ঈদ বাজার : পা ফেলার জায়গা নেই মধ্যবিত্তের মার্কেটে
এপ্রিল ১০, ২০২৪
































