রফিকুল ইসলাম ফুলাল, দিনাজপুর :
দিনাজপুরের বিরামপুরে পল্লী বিদুৎ‘র করা মিথ্যা মামলায় ডিব টিওবল ঘরের মালিক এখন ট্্রান্সফরমার চুরি মামলা আসামী ! সংবাদ সম্মেলনে ডিবের মালিক মো. মঞ্জুরুল হক ঘটনাটির সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। আজ শনিবার (৫ অক্টোবর( সকালে দিনাজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উপরোক্ত দাবি করেন বিরামপুর উপজেলার ইসলাম পাড়া গ্রামের মো. মোসলেম উদ্দীন মন্ডলের ছেলে মো. মঞ্জুরুল হক।
এসময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, উপজেলার ৫নং বিনাইল ইউনিয়নের অন্তর্গত বাকুন্দা মাঠে ২০ শতক পরিমাণ সম্পত্তিতে তার একটি ডিব ঘর রয়েছে। উক্ত ডিব ঘরের পার্শ্বে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে একটি ট্রান্সফরমার ছিল। গত ১৯ সেপ্টেম্বর বেলা ১টার দিকে আলী আশরাফ (৫০) ও হাসানুর (৩০) নামে বিরামপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির লাইনম্যান উক্ত বৈদ্যুতিক খুঁটিতে থাকা মিটারসহ ট্রান্সফরমার খুলতে গেলে স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করে। এসময় স্থানীয় জনতা তাকে মোবাইল ফোনে সংবাদ দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যানসহ ৬ জন মেম্বারকে ঘটনাস্থলে দেখতে পান। অতঃপর তাদের কাছে ট্রান্সফরমার ও মিটার খোলার অফিসিয়াল নির্দেশনা দেখতে চাওয়া হলে সই-স্বাক্ষরবিহীন একটি কাগজ প্রদর্শন করে। যা নিজের তৈরী করা বলে প্রতীয়মান হয়। এরপর আটককৃত লোকজন মারফত খবর পেয়ে বিরামপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষগনাসহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বিরামপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তারা উপরোক্ত ঘটনার স্থানীয়ভাবে আপোষ মিমাংসা করে দেন। বিদ্যুতের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ১৯/০৯/২০২৪ তারিখ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে বিষয়টির নিস্পত্তি করবেন মর্মে আমাকে আশ্বস্থ করেন। কিন্তু তারা ওই মিমাংসার পথে না গিয়ে গত ১৮/০৯/২০২৪ তারিখে আমায় বিরুদ্ধে বিরামপুর থানায় উল্লেখিত বিষয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। যা কিনা সর্বশ্বর মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। এর মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে সত্যকে আড়াল করে মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা করা হয়েছে।
বিরামপুর থানা কর্তৃপক্ষ পল্লীী বিদুৎ-এর দেয়া সেই মিথ্যা অভিযোগটি গ্রহণ করে এবং কোনো প্রকার তদন্ত ছাড়াই মামলা হিসেবে আমলে নেয়। তাতে আমাকেসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৮/৯ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়,মামলা নং ৭। অথচ মাত্র কিছুদিন আগে ১০ সেপ্টেম্বর এই একই ঘটনাস্থল থেকে রাতের আধাঁরে একই ক্ষমতা সম্পন্ন আমার আরো ২টি ট্রান্সমিটার চুরি হয়। এব্যাপারে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেও পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। আমি মনে করি ঘটনার ব্যাপারে সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত অপরাধিদের াাইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেয়া সম্ভব হবে। পল্লী বিদ্যুৎ এর অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা অসৎ কর্মকর্তাদের হাত থেকে গ্রামগঞ্জের পল্লী বিদুৎ এর সাধারন গ্রাহকদের রক্ষায় দ্রæত পদক্ষেপ গ্রহনের আহবান তিনি। এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মো. রাজু সরকার ও মো. মোবারক আলী।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































