কাশী কুমার দাশ, দিনাজপুর :
“সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য শিল্পচর্চা”-এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ভাষাজ্ঞান, ভদ্রতা, সহনশীলতা মানবিকতা, সততা, সমবেদনা, সংকল্পতা, দায়িত্ববোধ ও সম্মান প্রদর্শনের আচরণগত ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য দিনাজপুর শহরের পাটুয়াপাড়া (এনায়েতপুর) এলাকায় ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন মানুষ গড়ার কারিগর প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক নাজমুস সাকেব রানা।
ড্রইং স্কুল দিনাজপুর প্রতিষ্ঠার পর থেকে ৩ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীকে অঙ্কন ও নৈতিক শিক্ষায় প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছেন নাজমুস সাকেব রানা। ফলে ড্রইং স্কুল দিনাজপুর বর্তমানে দিনাজপুরবাসীর কাছে সৃজনশীল বিকাশের কেন্দ্র হিসেবে পরিণত হয়েছে।
আজ রোববার (২২ জুন) ড্রইং স্কুলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি ৫জন শিক্ষার্থীর জন্য ১জন করে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্কুলটি একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও আনন্দময় পরিবেশে শিক্ষাদান নিশ্চিত করে, যা অভিভাবকদের আস্থা অর্জন করেছে। স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা নাজমুস সাকেব রানা সুবিধাবঞ্চিত যুবতীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন। এছাড়া বন্যাদুর্গতদের সহায়তা, শীতবস্ত্র বিতরণ, শিক্ষা উপকরণ প্রদান, চিকিৎসা সহায়তা, বিধবা নারীদের জন্য ভ্যান প্রদান ও সেলাই মেশিনসহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ১০ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে ২০২২ সালে ৪দিনব্যাপী শিল্প উৎসবের আয়োজন কর হয়েছিল। সেখানে ৩শতাধিক শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয় এবং চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। স্কুলটি একটি অলাভজনক শিক্ষা উদ্যোগ, যেখানে অর্থিকভাবে স্বচ্ছল অভিভাবকদের প্রদত্ত বেতন ও শিক্ষা উপকরণ বিক্রয় হতে প্রাপ্ত অর্থ হতে সুবিধা বঞ্চিত শিশু ও তরুণদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করা হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক নাজমুস সাকেব রানা বলেন, আমাদের স্বপ্ন-সারা পৃথিবী যেন একদিন দেখে আমাদের এই ড্রইং স্কুলকে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি সৎ প্রচেষ্ঠার ফল কখনও বিফলে যায় না। তাই এই প্রচেষ্ঠা দিনাজপুরবাসীকে অনুপ্রাণিত করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
আমন্ত্রণ/এসিজি
ড্রইং স্কুল দিনাজপুর শুধু একটি ছবি আঁকার বা শিল্পচর্চার প্রতিষ্ঠান নয়-এটি একটি মানবিক আন্দোলনের অংশ
জুন ২২, ২০২৫
































