আমন্ত্রণ ক্রীড়া ডেস্ক :
শেষ দিকে কিছুটা স্নায়ুর পরীক্ষা দিতে হলেও জয় হাতছাড়া করেনি বাংলাদেশ। শনিবার দুবাইয়ের আইসিসি অ্যাকাডেমি মাঠে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে আফগানিস্তানকে ৩ উইকেটে এবং ৭ বল হাতে রেখে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছে আজিজুল হাকিম তামিমের দল।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল দাঁড় করায় ৭ উইকেটে ২৮৩ রানের একটি চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ। দলের হয়ে ব্যাট হাতে প্রাচীর হয়ে দাঁড়ান তিন নম্বরে নামা ব্যাটার ফয়সাল শিনোজাদা, যিনি ৯৪ বলে ১০৩ রানের দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি হাঁকান।
তার ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ৪টি ছক্কা। এছাড়া উজাইরউল্লাহ নিয়াজাই ৪৪, আজিজউল্লাহ মিয়াখিল ৩৮ এবং ওসমান সাদাত ৩৪ রান করেন। শেষদিকে নয়ে নামা আব্দুল আজিজ ১৬ বলে ২৬ রানের কার্যকরী ক্যামিও খেলেন।
বাংলাদেশের হয়ে বোলারদের মধ্যে ইকবাল হোসেন ইমন ও শাহরিয়ার আহমেদ সমান দুটি করে উইকেট শিকার করেন।
২৮৪ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ পায় এক উড়ন্ত সূচনা। দুই ওপেনার রিফাত বেগ ও জাওয়াদ আবরার মিলে গড়েন ১৫১ রানের এক বিশাল জুটি। ২৭ ওভার পর্যন্ত উইকেটে থেকে এই জুটিই বাংলাদেশের জয়ের ভিত গড়ে দিয়ে যায়। ব্যক্তিগত ৬২ রান করে রিফাত ফিরলে এই জুটি ভাঙে।
অন্য প্রান্তে ওপেনার জাওয়াদ আবরার সেঞ্চুরির সুযোগ পেলেও মাত্র ৪ রান দূরে থাকতে ভুল করে বসেন। বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। তার ১১২ বলে ৯৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে ছিল ৯টি চার ও ৬টি ছক্কার মার।
দুই ওপেনারের বিদায়ের পর দলের হাল ধরেন কালাম সিদ্দিকী ও অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম। তৃতীয় উইকেটে তারা ৭১ বলে ৬৬ রান যোগ করেন। তবে ২৯ রানে কালাম সিদ্দিকী (২৯) ও অল্পের জন্য ফিফটি মিস করা অধিনায়ক তামিম (৪৮ বলে ৪৭) আউট হওয়ার পর কিছুটা চাপ তৈরি হয়।
একই ওভারে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ (২) ও সামিউন বশির (১) রানআউট হয়ে ফিরলে সেই চাপ আরও বাড়ে।
তবে শেষদিকে অভিজ্ঞতার পরিচয় দেন শেখ পারভেজ জীবন এবং রিজান হোসেন। মাথা ঠান্ডা রেখে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান তারা। জয় থেকে মাত্র ১ রান দূরে থাকতে ৭ বলে ১৩ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলে ফেরেন জীবন।
অন্যদিকে, ১৩ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত থাকা রিজান হোসেনই বিজয়ীর বেশে মাঠ ছাড়েন এবং দলের জয় নিশ্চিত করেন।
জয় দিয়ে এশিয়া কাপ শুরু করল বাংলাদেশ
ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫


































