কাশী কুমার দাস, দিনাজপুর :
নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে আজ রোববার (২ ফেব্রæয়ারি) রানীরবন্দর চাইল্ড কেয়ার স্কুলের হলরুমে বিশিষ্ট কবি, লেখক, সাহিত্যিক ও গবেষক এবং রানীরবন্দর এলাকার ঐতিহ্যবাহী নজরুল পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা লুৎফর রহমানের “রানীরবন্দরের ইতিহাস” গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন হয়েছে। সেই সাথে দিনব্যাপী কবি সাহিত্যিকদের নিয়ে সাহিত্যের আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন রিজেন্ট এবং দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের প্রথম চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মো. শফিকুল আলম।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর সরকারি কলেজের সাবেক বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক কাউসার আলম, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অবসরপ্রাপ্ত কর কমিশনার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. দবির উদ্দীন, রংপুর সরকারি কারমাইকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাংলা বিভাগ) অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মো. শাহ্ আলম, সাবেক বিভাগীয় প্রধান (ইংরেজি বিভাগ) অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মো. আমিনুল হক শাহ্, সৈয়দপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মো. আব্দুল মান্নান সরকার, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক রিষিণ পরিমল। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন কবি-গবেষক বিধান দত্ত।
“রানীরবন্দরের ইতিহাস” গ্রন্থের উপর মূল আলোচনা করেন বীরগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মাসুদুল হক। দ্বিতীয় পর্বে সাহিত্য আড্ডায় সভাপতিত্ব করেন হোসাইন মুহাম্মদ আনোয়ার।
প্রধান অতিথি ছিলেন ড. মাসুদুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক উত্তর বাংলার সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মতিউর রহমান, কবি বাবুল চৌধুরী, সমাজসেবক মো. মামুনুর রশিদ চৌধুরী, কবি-সাংবাদিক ও গবেষক সৈয়দা রুখশানা জামান সানু।
“রানীরবন্দরের ইতিহাস” গ্রন্থের লেখক লুৎফর রহমান তার অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, রানীরবন্দরের ঐতিহ্য ইতিহাস অনেক জ্ঞান- গৌরবের। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, ক্রিয়া-সাংস্কৃতিক, সাহিত্য চর্চাসহ মুক্তিযুদ্ধের যে ইতিহাস রয়েছে তা আমাদের প্রজন্মদের জানানোর জন্য এই গ্রন্থটি আমি লিখেছি।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































