দৈনিক আমন্ত্রণ বিনোদন ডেস্ক :
ভারতের অন্যতম শ্রোতাপ্রিয় গায়িকা সুনিধি চৌহান। বিশেষ করে বলিউডে তার জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। ভিন্ন ধাঁচের গানের জন্য খুব অল্প সময়ের মধ্যে সংগীত জগতে নিজের জন্য একটি আলাদা পরিচয় তৈরি করে নেন সুনিধি। একাধিক সুপারহিট গান রয়েছেন গায়িকার ঝুলিতে; কিন্তু এই গায়িকার ব্যক্তিগত জীবন যেন সিনেমার গল্প!
সুনিধি চৌহান তার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন দূরদর্শনে সম্প্রচারিত রিয়েলিটি গান শো ‘মেরি আওয়াজ সুনো’ দিয়ে। ১৯৯৬ সালে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার শিরোপা জিতেছিলেন সুনিধি। এর পরে তিনি ‘লিটল ওয়ান্ডারস ট্রুপ’-এর প্রধান গায়িকাও হন। এই শো দিয়ে তিনি রাতারাতি সেনসেশন হয়ে ওঠেন। রিয়েলিটি গানের আসর জেতার পর প্রথম হিন্দি চলচ্চিত্রে গান গেয়েছিলেন সুনিধি। ১৯৯৬ সালে প্রথম ‘শাস্ত্র’ চলচ্চিত্রের বিখ্যাত গান ‘লাড়কি দিওয়ানি লাড়কা দিওয়ানা’ গেয়েছিলেন। যেখানে তিনি পেয়েছিলেন কিংবদন্তি উদিত নারায়ণকে। কিন্তু তার আসল সাফল্য আসে ১৯৯৯ সালের ‘মাস্ত’ ছবির ‘রুকি রুকি সি জিন্দেগি’ গান থেকে।
এই গানটি সেই সময়ে ব্যাপক হিট হয় এবং সুনিধি বলিউডের বিখ্যাত গায়িকাদের তালিকায় যোগ দেন।
মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে আসার পর সুনিধি শুধু হিন্দিতেই নয়, মারাঠি, কন্নড়, তেলেগু, তামিল, পাঞ্জাবি, অসমীয়া, নেপালি এবং উর্দু ভাষায়ও অনেক গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। এর পাশাপাশি একাধিক পুরস্কারও জিতেছেন গায়িকা। বর্তমানে চলচ্চিত্রে কম গান গাইলেও স্টেজ শো করতে তিনি বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
একাধিক ভারতীয় প্রতিবেদন অনুসারে, সুনিধি তার পরিবারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে ববি খানকে বিয়ে করেছিলেন। সে সময় সুনিধির বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর আর ববি খান তার থেকে ১৪ বছরের বড়। এই বিয়েতে সুনিধির বাবা-মা খুব ক্ষুব্ধ হন এবং তারা তাদের মেয়ের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করে দেন। ২০০৩ সালেই তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিবাহবিচ্ছেদের নরকযন্ত্রণা সহ্য করার পর পুরোপুরি নিজের ক্যারিয়ারে ফোকাস করেন এবং তারপরই সংগীত শিল্পে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর সুনিধি আবারও তার বাবা-মায়ের সমর্থন পেয়েছিলেন এবং তাকে কাছেও টেনেছিল পরিবার। অতীতের সব কিছু ভুলে আবারও সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছাতে চান ৪০ বছর বয়সি এই গায়িকা।
আবারও সাফল্যের সন্ধানে সুনিধি চৌহান
এপ্রিল ১১, ২০২৪

































