জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, হিলি :
বিশে^র কয়েকটি দেশে সংক্রামক রোগ এমপক্স (মাঙ্কিপক্স) ছড়িয়ে পড়লেও দিনাজপুরের হিলি আন্তর্জাতিক স্থলবন্দরে এখনো সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিদিন এই বন্দরের চেকপোস্ট ব্যবহার কয়েকশো পাসপোর্ট যাত্রী বাংলাদেশ ও ভারতে আসা-যাওয়া করেন। এছাড়া নেপাল ও ভুটানেও ঘুরতে যান অনেকে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকেরা জানান, মাঙ্কিপক্সের সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, পেশিব্যথা, পিঠে ব্যথা, দুর্বলতা, ফোলা লসিকাগ্রন্থি ও ত্বকের ফুসকুড়ি বা ক্ষত। এ রোগের লক্ষণগুলো কেউ অনুভব করলে বা সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে দ্রæত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এব্যাপারে নির্দেশনা আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোববার (১৮ আগস্ট) সকালে চেকপোস্টে পাসপোর্ট যাত্রী সাইফুল ইসলাম, সঞ্চিতা রাণী জানান, এই চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতীয়রা নাগরিকরা যাতায়াত করেন। অনেক সময় বিভিন্ন দেশের নাগরিকরাও আসা-যাওয়া করে থাকেন। তাই একারণে আগে থেকেই এব্যাপারে হিলি স্থলবন্দরে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। কারণ এই ভাইরাসটি মানুষ থেকে মানুষে দ্রæত ছড়ায় বলে শুনেছি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বলা হয়েছে, এমপক্স সংক্রমণ যাতে দেশে না ছড়ায়, সেজন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দেশের বিমানবন্দর, নৌপথ ও অন্যান্য প্রবেশপথে সাবধানতা অবলম্বনের জন্য নির্দেশিকা জারি করা হবে। যদিও দেশে এখনো কেউ আক্রান্ত হয়েছে এমন খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আশরাফুল জানান, এখনো পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। এমপক্স ভাইরাসের তথ্যটি সোসাল মিডিয়ার মাধ্যমে জেনেছি। তাই এ বিষয়ে সতর্ক আছি। এখনো কোন নির্দেশনা পায়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আফ্রিকার দেশ গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোয় প্রথম শনাক্ত হয়। এরপর থেকে এমপক্স এই মহাদেশের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি দেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। এরমধ্যে রয়েছে বুরুন্ডি, উগান্ডা, রুয়ান্ডা, সুইডেন ও কেনিয়া। গত ১৬ আগস্ট পাকিস্তানে এমপক্সে আক্রান্ত একজনকে শনাক্ত করা হয়েছে।
আমন্ত্রণ/এসিজি
মাক্সিপক্স (এমপক্স) প্রতিরোধে সতর্কতা নেই হিলি স্থলবন্দরে
আগস্ট ১৮, ২০২৪


































