গোপাল মোহন্ত, গোবিন্দগঞ্জ প্রতিবেদক :
গাইবান্ধায় কাটাখালি ও বাঙালি নদীর প্রায় ৯ টি পয়েন্টে ভয়াবহ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। নদী ভাঙ্গনে শিকার হচ্ছে গোবিন্দগঞ্জের বিস্তীর্ণ জনপদ। কাটাখালী নদীর ভয়াবহ ভঙ্গনে বিলীন হয়েছে ফুলবাড়ী ও তালুককানুপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের আবাদি জমি। নদী ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে সরকারি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,ঈদগাহ মাঠ ও দেওয়ানতলা রেল ব্রিজের তীর রক্ষা দেয়াল। নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে দ্রæত পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি স্থানীয়দের।
কাটাখালি ও বাঙ্গলি নদীতে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নদীর ৯ টি পয়েন্টে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে এরিমধ্যে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে বসতবাড়ি ও আবাদি জমি, গাছপালাসহ বিস্তীর্ণ জনপদ। ফুলবাড়ী ও তালুককানুপুর, রাখালবুরুজ, মহিমাগঞ্জ, ইউনিয়নের বেশকিছু এলাকায় নদী তীরের ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। নদীর ব্যাপক ভাঙ্গনে এসব এলাকার বসতবাড়ি ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে। হুমকির মুখে রয়েছে বড় রঘুনাথপুর, শ্যামপুর-পর্বতীপুর,বড় সোহাগী,সুন্দইল প্রাথমিক বিদ্যালয়,মাদ্রাসা, ফসলি জমি ও দেওয়ানতলা রেল ব্রিজের প্রতিরক্ষা প্রাচীর।
ভাঙ্গন কবলিত এলাকার মানুষেরা বলছেন, প্রভাবশালীরা অবৈধ ভাবে নদীতে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু তোলায় নদী ভাঙ্গনের শিকার হচ্ছেন তারা। ভাঙ্গন আতঙ্কে দুশ্চিতায় নদী তীরবর্তী পরিবার গুলো। ভাঙ্গন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে দ্রæত ব্যবস্থা নেওয়া দাবি ভাঙ্গন কবলিত এলাকার মানুষের।
গাইবান্ধার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হাফিজুল হক বলেন, করতোয়া-কাটাখালি ও বাঙ্গলি ছোট নদী হওয়ায় এসব নদীতে মৌসুমি ভাঙ্গন দেখা দেয়। ভাঙ্গন কবলিত এলাকটি পরিদর্শন করে ভাঙ্গন প্রতিরোধে কিছু কিছু এলাকা ভাঙন রোধে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বাকী অংশ গুলিতেও ভাঙন রোধের ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে কাটাখালি ও বাঙ্গলি নদীর ভাঙ্গনরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্থায়ী ব্যবস্থা নেবে এমনটি দাবি ভাঙ্গন কবণিত নদী তরবর্তী এলাকার মানুষদের।
আমন্ত্রণ/এসিজি
গোবিন্দগঞ্জের কাটাখালি-বাঙালি নদীর ভাঙনে বিলিন হচ্ছে ফসলি জমি, হুমকিতে ঘরবাড়ীসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
অক্টোবর ৩১, ২০২৫


































