মাহবু্বুল হক খান, দিনাজপুর :
দিনাজপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর অফিসের প্রধান ফটকের সামনে থেকে ডাস্টবিনটি দ্রুত অপসারণের দাবি জামায়াতের নেতাকর্মীরা। একটি রাজনৈতিক অফিসের সামনে এ ধরনের ডাস্টবিন থাকাটা সকলের জন্য খুবই লজ্জাজনক।
বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে সারা দেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সকল অফিস বন্ধ করে দেয়া হয়। সে সময় দিনাজপুর জেলা জামায়াতের অফিসটিও বন্ধ করে দেয়া হয়।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার গণ-অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। আওয়ামী লীগের পতনের পর সারা দেশে জামায়াতে ইসলামীর সকল অফিস পুনরায খোলা হয়। একই সাথে দিনাজপুর জেলা জামায়াতের অফিসটিও খোলা হয়। সেখানে নিয়মিত দলের নেতাকর্মীরা আসা-যাওয়া ও তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
দিনাজপুর জেলা জামায়াত অফিস দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়েছে স্থানীয় মহল্লাবাসি। জামায়াত অফিসের প্রধান ফটকের সামনে আশপাশের এলাকার বাসা-বাড়ীর লোকজন ময়লা-আবর্জনা স্তুপ করে রাখে। বর্তমানে এটি একটি ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছে। জামায়াত অফিস পুনরায় খোলার প্রায় ৬ মাস অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এখন পর্যন্ত দিনাজপুর পৌরসভা কর্তৃপক্ষ জামায়াত অফিসের সামনে থেকে এই ডাস্টবিনটি অপসারণের কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। অথচ এই স্থানটিতে পৌরসবভা কর্তৃক কোন ডাস্টবিন বা ময়লা-আবর্জনা ফেলার কোন অনুমতি নেই।
অবিলম্বে দিনাজপুর জেলা জামায়াত ইসলামীর অফিসের প্রধান ফটকের সামনে থেকে এই ডাস্টবিনটি অপসারণ করার দাবি জানিয়েছেন দলের নেতাকর্মীসহ সচেতন পৌরবাসি।
মোঃ জাহিরুল ইসলাম নামে জামায়াতের এক কর্মী জানান, একটি রাজনৈতিক দলের অফিসের সামনে এ ধরনের ডাস্টবিন থাকা খুবই লজ্জার ব্যাপার। এই ডাস্টবিনটি অতিত্রুত এখান থেকে অপসারণ করা দরকার।
দিনাজপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর অর্থ সম্পাদক মাওলানা আতাউর রহমান জানান, অফিস খোলার পর ব্যানার টানিয়ে এখানে ময়লা-আবর্জনা না ফেলার জন্য এলাকাবাসিকে অনুরোধ করা হলেও কোন কাজ হয়নি। অগোচরে সবাই এসে এখানে ময়লা ফেলে চলে যায়।
তিনি আরো জানান, জেলা আমীর পৌরসভার প্রশাসককে মৌখিকভাবে বিষয়টি জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত পৌর কর্তৃপক্ষ এই ডাস্টবিনটি অপসারণ করেনি।
দিনাজপুর জেলা জামায়াতে ইসলামী আমীর অধ্যক্ষ মোঃ আনিসুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এই ডাস্টবিনের ময়লা দুর্গন্ধের কারণে অফিসে নেতাকর্মীসহ অন্যান্য অতিথিদের সমস্যা হয়। দ্রুত এই ডাস্টবিনটি অন্যত্র সড়িয়ে নিতে দিনাজপুর পৌর কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে পৌর কর্তৃপক্ষ ডাস্টবিনটি অপসারণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু একন পর্যন্ত এই ডাস্টবিনটি অপসারণ করা হয়নি। তিনি এই ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে পৌর কর্তৃপক্ষের সুসৃষ্টি কামনা করেছেন।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































