বগুড়া ব্যুরো :
বগুড়ায় ব্যবসায়িক দ্ব›েদ্ব আজহারুল ইসলাম শান্ত হত্যাকাÐে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ১১জন নামীয় ও অজ্ঞাতনামা ৯/১০ জনকে আসামী করা হয়েছে। পূর্ব শত্রæতার জের ধরে শান্তকে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন মামলার বাদী নিহতের মা রাবেয়া খাতুন। তবে এ ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি বলে জানিয়েছেন বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইহান ওলিউল্লাহ। এর আগে, শনিবার বিকাল সাড়ে চারটার দিকে শহরের চকফরিদ কলোনী এলাকায় অগ্রনী ব্যাংক সংলগ্ন এলাকায় খুন হন একাধিক মামলার আসামি শান্ত। নিহত শান্ত সারিয়াকান্দি উপজেলার কুপতারা সাহাপাড়া এলাকার আবুল হোসেন আলীর ছেলে। তবে তারা দীর্ঘদিন ধরে শহরের ফুলদিঘী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতো। এছাড়াও সৈয়দ আহম্মেদ কলেজে ডিগ্রিতে পড়াশোনার পাশাপাশি ইন্টারনেটের ব্যবসা করতো। বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইহান ওলিউল্লাহ বলেন, পূর্ব শত্রæতার জের ধরে শান্তকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে আসামিদের নাম এক্ষুনি প্রকাশ করা হচ্ছে না। আর এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে ১১ জন নামীয় এবং ৮/১০ অজ্ঞাতনামাকে আসামী করা হয়েছে।
নিহতের ভাই হাসিবুল ইসলাম প্রান্ত বলেন, চার ভাইয়ের মধ্যে শান্ত সবার ছোট। প্রায় দুই বছর ধরে শহরের কলোনী, ফুলতলা, বাদুরতলা ও চকফরিদসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় সে ব্রডব্যান্ডের ব্যবসা করে আসছিল। শান্ত চকফরিদ এলাকায় কোন একটি ছাত্রাবাসে প্রায়ই বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে যেতো। সেদিনও তার বন্ধু মোস্তাকিমকে নিয়ে সেখানে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তিনি আরও বলেন, ব্রডব্যান্ডের ব্যবসা নিয়েই কিছু মানুষের সঙ্গে শান্তর ঝামেলা ছিল। এত ছোট মানুষ সফলভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে এইটা অনেকের সহ্য হয়নি। হতে পারে এই হিংসা থেকে কেউ হত্যাকাÐ ঘটিয়েছে। বন্ধুদের উপকার করতে গিয়েও শান্ত অনেকের শত্রæ হয়েছে এইটাও তার জীবণনাশের কারণ হতে পারে।

































