রৌমারী সংবাদদাতা :
ব্রহ্মপুত্র নদে বন্যার পানি বৃদ্ধি এবং রাস্তা সংস্কারজনিত কারণে ১০ দিন ধরে ফেরিঘাটে দিয়ে কুঁড়িগ্রামের চিলমারী-রৌমারী রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও পরিবহনের চালকরা। পাশাপাশি সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। জরুরি ভিত্তিতে রাস্তা নির্মাণ করে ফেরি চলাচলের ব্যবস্থা করতে কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছে সচেতন মহল।
সরেজমিন রৌমারী ফেরিঘাটে গিয়ে ও কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন জনের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। দেখা যায়, কাচা ও পাকা রাস্তার ওপর সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে মালবাহী ট্রাক ও ছোট-বড় যানবাহন।
বিআইডব্লিউটিএ অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকঢোল পিটিয়ে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তৎকালীন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এমপি, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান, বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান, নৌপরিবহন সচিব সমন্বয়ে চিলমারী-রৌমারী রুটে ফেরি কুঞ্জলতা ও ফেরি বেগম সুফিয়া কামালের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। তবে নদের নাব্যর কারণে বিআইডব্লিউটিএ ফেরি কুঞ্জলতাকে সরিয়ে যুক্ত করেন ফেরি কদমকে, নদীভাঙন, ব্রিজ ভেঙে ও রাস্তা সংস্কার কাজের কারণে ইতোপূর্বে এ রুটে কয়েক দফা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। চিলমারী ও রৌমারী নৌপথের দৈর্ঘ্য ২১ কিলোমিটার। তবে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে এ পথের দৈর্ঘ্য ১৩ থেকে ১৪ কিলোমিটারে কমিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। এ ফেরি পারাপারের সময় লাগবে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা। এ ফেরি সার্ভিস চালু হলে রৌমারী, রাজীবপুর ও চিলমারী নয়, কুড়িগ্রাম জেলাসহ ৮টি জেলার সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ অনেকটা সহজ হবে। কমবে যাতায়াত খরচও।
গত ২৮ জুন থেকে রৌমারী ফেরিঘাটে বন্যার পানি এবং চিলমারী ফেরিঘাটে রাস্তাসংস্কার কাজের কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়েছে ঘাটের কয়েক শ’ শ্রমিক।
বিআইডব্লিউটিএর উপসহকারী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ বলেন, চিলমারী ফেরিঘাটের রাস্তা সংস্কার কাজের পরিবেশ না হওয়ায় এবং নদের বন্যার পানির তীব্র স্রোতের কারণে ফেরিঘাটটি ১০ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে।
আমন্ত্রণ/এজি
১০ দিন ধরে রৌমারী-চিলমারী রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ ও পরিবহনের চালকরা
জুলাই ১০, ২০২৪
































