বগুড়া ব্যুরো :
বগুড়ার শিবগঞ্জে থানা বিএনপি সভাপতি মীর শাহে আলমের নির্দেশে নাগরিক ঐক্যের নেতা মুন্না চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। আজ রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে মুন্না চৌধুরী বলেন, আমি শিবগঞ্জ উপজেলার নাগরিক ঐক্যের একজন সদস্য। আমার পরিবারের সবাই বিএনপি মনোভাব পূর্ণ। আমার বাবা মৃত নান্নু চৌধুরী প্রথম বিএনপির বগুড়া জেলা কমিটির সদস্য ছিলেন। আমার রাজনৈতিক জীবন শুরু মাহমুদুর রহমান মান্নার হাত ধরে। এই কারণে আমার বিরুদ্ধে প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
তিনি বলেন, বর্তমান শিবগঞ্জ থানা বিএনপি সভাপতি মীর শাহে আলমের নির্দেশে এই মিথ্যা মামলা দায়ের হয়। এর আগেও শিবগঞ্জ উপজেলা নাগরিক ঐক্যের যুগ্ম আহবায়ক এনামুল হক সরকারের নামেও মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মুন্না চৌধুরী আরো বলেন, মীর শাহে আলমের মতবাদের বিরুদ্ধে যে বা যারাই আছেন, তারা কেউই নিরাপদে নেই। সবাই মামলা আতংকে দিনাতিপাত করছে। দেশের ৬৪ জেলার ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে শুধুমাত্র শিবগঞ্জ উপজেলায় অন্তর্বতী সরকারের কোন ছায়া নেই। এখানে মীর শাহে আলম নামক সরকার দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।
মুন্না চৌধুরী আরো বলেন, প্রশাসনের এমন কোন জায়গা নেই, যেখানে মীর শাহে আলমের আঙ্গুল হেলুনিতে কাজ হয় না। যে বা যারা প্রতিবাদ করতে যায়, তাদের বিরুদ্ধেই মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এমনকি বিএনপি এবং তার অংগ সংগঠনের নেতাকর্মীদেরও বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার দিয়ে দিয়েছে। ফলে তারা পরিবার-পরিজন রেখে বাড়ি ছাড়া হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তিনি অবিলম্বে এই মামলা প্রতাহারের দাবি জানান।
উল্লেখ ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে বগুড়ার শিবগঞ্জ থানায় বৈষম্যবিরোধি ছাত্র আন্দোলনে দমনের সময় শিক্ষার্থী মিনহাজকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে তার চাচা সাঈদ হোসেন বাদি হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































