নজরুল ইসলাম মিলন, শাহজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিবেদক :
আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে শাজাহানপুরে শতাধিক খামার এবং কৃষকের বাড়ি বাড়ি মোটাতাজাকরণের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে সাড়ে ৫৭ হাজার কোরবানিযোগ পশু। যা চাহিদার তুলনায় ১ হাজার ৭টি পশু বেশি।
উপজেলা ঘুরে জানা যায়, ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানির বাজারকে সামনে রেখে শাজাহানপুরে শতাধিক খামারের পাশাপাশি কৃষকের বাড়ি বাড়ি প্রস্তুত করা হয়েছে দেশি বিদেশি জাতের ষাঁড় গরু, খাসি, ছাগল, ভেড়া, মহিষ, এছাড়া কেউ কেউ শখের বসে সামান্য সংখ্যক দুম্বা ও গাড়ল পালন করছে।
উপজেলার ৯ মাইল এলাকার খামারি নাঈম জানান, পশু খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে খামারিরা তাদের পশুর ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন এবার দুইশ কেজি ওজনের একটি দেশি জাতের ষাঁড় গরু কোরবানির যোগ্য করে তুলতে খরচ হয়েছে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টাকা। তাতে খামারেই খরচ হয়েছে ৫৫০ টাকা ফলে স্বাভাবিকভাবে কোরবানির পশু দাম একটু বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও কিছু কিছু হাটে কোররবানির পশু ওঠা শুরু করেছে বেচা বিক্রি অল্প হলেও বোঝা যাচ্ছে প্রান্তিক খামারিদের মাথায় হাত খামারিদের খরচের চেয়ে পশুর দাম অনেক কম বলছে ক্রেতারা।
শাজাহানপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ খান জানান, এ বছরে শাহজাহানপুর উপজেলার কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৫৫ হাজার ৬৬০টি তার বিপরীতে কোরবানির পশু প্রস্তুত আছে ৫৭ হাজার ৪৫৩টি পশু এর মধ্যে ১৯ হাজার ৮৪০টি ষাঁড় গরু, ৩ হাজার ২৪টি বলদ গরু, ২ হাজার ১৭৮টি গাভী, ২৮ হাজার ৯২৬টি ছাগল এবং ৩ হাজার ৩৮৫টি ভেড়া। উপজেলায় অবস্থিত দুইটি স্থায়ী এবং নয়টি অস্থায়ীসহ ১১টি পশুর হাটে কোরবানির পশু বেচাকেনা হবে।
তিনি আরো বলেন, পশু মোটা তাজাকরণে প্রাণীর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এর স্টেরয়েডও হরমোন জাতীয় ঔষধ যাতে ব্যবহার না হয় সে বিষয়ে আমার কর্মীরা খামারিদেরকে সচেতন করেছেন। এছাড়াও পশুর হাটগুলোতে আকস্মিকভাবে কোন পশু অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিতে উপজেলা ভেটেরিনারি হাসপাতাল টিম প্রস্তুত আছে।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































