ক্রীড়া প্রতিবেদক:
বোলিং হাতের কাঁধের লিগামেন্টের ৪০ শতাংশ ছেঁড়া তাসকিন আহমেদের। তাঁকে এখন ক্রিকেট খেলতে হয় পুনর্বাসন করে। ওয়ানডে বিশ্বকাপ থেকে এই প্রক্রিয়ার ভেতরে আছেন তিনি। বিশ্বকাপ শেষে লম্বা সময়ের জন্য পরিচর্যা করে খেলায় ফেরেন বিপিএল দিয়ে। যদিও টুর্নামেন্টে সেরা বোলিংটা করতে পারেননি তিনি।
তাঁর দল দুর্দান্ত ঢাকার কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন জানান, লেন্থে কিছুটা সমস্যা রয়ে গেছে। আগামী এক-দুই সপ্তাহ কাঁধের শক্তি বাড়িয়ে জাতীয় দলের সিরিজে ফেরার পরামর্শ দিয়েছেন তাসকিনকে। এ ছাড়া আপাতত শুধু সাদা বলের খেলায় ফোকাস করার পরামর্শ কোচের।
বিশ্বকাপ শেষ করে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হোম-অ্যাওয়ে কোনো সিরিজেই খেলেননি তাসকিন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে রাখা হয়েছে সাদা বলের সিরিজে। টেস্টে বিরতিতে থাকবেন তিনি। কোচ সুজনের মতে, ‘তাসকিনকে খুবই সতর্কতার সঙ্গে হ্যান্ডেল করতে হবে। আমি বিশ্রাম দিতে পারিনি টানা হারার কারণে। ওরাও বিশ্রাম নিতে চায়নি। তাসকিন এতদিন পর ফিরে এসে খারাপ করেনি। ও জানে, ওর কিছু কাজ এখনও বাকি আছে। আমি ওকে বলেছি কয়েক দিন বিশ্রাম নিয়ে স্ট্রেইন্থের কাজে ফিরে যেতে। অনেক দিন না খেলায় লেন্থে একটু ঘাটতি ছিল। ও কাজ করে ফিরে আসবে, আশা করি।’
টেস্ট না খেলার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তাসকিন বলেন, ‘এই সিরিজে বিশ্রাম দেবে। পরের সিরিজ দেরি আছে। তখন পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। আমাকে যেহেতু ‘ওয়ার্ক লোড ম্যানেজ’ করে খেলতে হবে, তাই অনেক কিছু ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বেশি সমস্যা হলে টেস্ট ছেড়ে দিতে হবে।’
খালেদ মাহমুদও পরোক্ষে সে বার্তাই দিলেন টিম ম্যানেজমেন্টকে, ‘টেস্টের ব্যাপারে ওকে খুব সতর্কতার সঙ্গে দেখতে হবে। ও ফিট থাকলে নিশ্চয়ই খেলবে। তবে রয়েসয়ে খেলালে ভালো হবে। সাদা বলে ওয়ানডে এবং টি২০ ধারাবাহিক খেলতে হবে। ও টেস্ট খেলতে চায় না– এটা বলব না, কিন্তু ও পারবে কিনা সেটা ব্যাপার। কারণ সে ২২ বা ২৩ বছরের তাসকিন না।’


































