আমন্ত্রণ প্রতিবেদক, রংপুর :
রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় নদ-নদীর বন্যায় ৩৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এর মধ্যে পাঁচটি বিদ্যালয়ের অবকাঠামো সরিয়ে নেওয়া হলেও নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে জমি।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নদ দীর কাছাকাছি চরগুলোতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য বিশেষ ধরনের অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়। সেখানে সহজে টিনের চাল ও বেড়া খুলে নেওয়া যায়। তবে বিদ্যালয়গুলোর জমি রক্ষা করা সম্ভব হয় না।
রংপুর বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষা উপ-রিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিভাগের আট জেলার মধ্যে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, দুধকুমার ও যমুনা নদী বর্ষাকালে আগ্রাসী রূপ ধারণ করে। প্রতি বর্ষায় নদী-লগ্ন চরে অবস্থিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় সম্প্রতি বন্যায় গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার দিঘলকান্দি, পাতিলবাড়ি ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ভাটি বুড়াইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১১টি বিদ্যালয়।
গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার পাতিলবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবর রহমান বলেন, যমুনার ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে এক বছরে তিন দফা বিদ্যালয়ের অবকাঠামো সরাতে হয়েছে এর আগের বর্ষাতেও বিদ্যালয়টির অবকাঠামো সরানো হয়েছিল।
উলিপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমির হোসেন বলেন, বর্তমানে চরগুলোতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য বিশেষ ধরনের অবকাঠামো তৈরি করা হয়ে থাকে। সহজেই টিনের চাল ও বেড়া খুলে নেওয়া যায়। তবে বিদ্যালয়ের জমি রক্ষা করা সম্ভব হয় না। নদী ভাঙনের কারণে উপজেলায় চর গুজিমারি এবং খামার দামারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামোসহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২০টি বিদ্যালয়।
রংপুর বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, বন্যায় নদী ভাঙনের শিকার কিছু বিদ্যালয়ের স্থাপনা নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অনেক বিদ্যালয় ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে চরগুলোতে নজরদারি করা হচ্ছে, জরুরি প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়গুলোতে আর্থিক সহায়তার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে জানানো হয়েছে।
আমন্ত্রণ/এজি
রংপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩৯ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
জুলাই ২৫, ২০২৪































