রফিক প্লাবন, দিনাজপুর :
“মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম ষষ্ঠ পর্যায়” শীর্ষক প্রকল্পে দিনাজপুর জেলার ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আজ বুধবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম-ষষ্ঠ পর্যায় দিনাজপুর এর আয়োজনে দিনাজপুর শিশু একাডেমী মিলনায়তনে পুরস্কার বিতরণ এবং আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা বেশিরভাগ মানুষ কাজে ফাকি দেই। এটা করা যাবে না। সরকার আমাদের পারিশ্রমিক দেয়। তাই অন্তরটাকে মানুষের মন্দির বা কাবা বানাতে হবে। যাতে মানুষ বুঝতে পারে ‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’।
হিন্দু ধর্মীয় কল্যান ট্রাস্টের ট্রাস্টি অধ্যাপক পরিতোষ চক্রবর্তী’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এস এম হাবিবুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিন্নাহ আলম মামুন, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো. আকতারুজ্জামান, দিনাজপুর ব্রাহ্মন সংসদের সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় কুমার ব্যানার্জী। স্বাগত বক্তব্য দেন মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম দিনাজপুরে সহকারী প্রকল্প পরিচালক শাহ মো. মশিউর রহমান।
আলোচনা শেষে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের ১৫ জন শ্রেষ্ঠ শিক্ষক এবং ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের বার্ষিক ক্রীড়া ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করেন অতিথিবৃন্দ। এর আগে মহারাজা গিরিজানাথ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতার ১শ মিটার দৌড়, বিস্কুট দৌড়, রুমাল/চকলেট কুড়ানো, গীতা পাঠ, দুর্ভাগ্য বালিশ প্রতিযোগিতা, ঝুড়িতে বল নিক্ষেপ এবং যেমন খুশি তেমন সাজোসহ ১৭ টি খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
আমন্ত্রণ/এসিজি
“মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম ষষ্ঠ পর্যায়” শীর্ষক প্রকল্পের উদ্যোগে দিনাজপুরে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৫


































