রৌমারী প্রতিবেদক :
তিন পাশে জিঞ্জিরাম নদী, একপাশে ভারতের কাঁটাতার। এরই মাঝে দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের পূর্ব কাউয়ারচর, চর বোয়ালমারী নামে দুটি গ্রাম। পূর্ব কাউয়ারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। বাসিন্দার সংখ্যা ৩ হাজারের অধিক। এ ছাড়া নদী ও ভারতবেষ্টিত ওই এলাকায় পশ্চিম কাউয়ারচর, ধর্মপুর গ্রামে মানুষের জমি রয়েছে। চাষাবাদের জন্য তাদের প্রতিদিন ওই এলাকায় যেতে হয়। যুগ যুগ ধরে সীমান্তের লোকজন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মাথায় নিয়ে ঝুঁকির মধ্যে নৌকায় পারাপার হয়ে আসছিলেন। সীমান্তঘেঁষা মানুষের দুর্ভোগের কথা জানতে পেরে ১২০ ফুট দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণ করে দেন সংসদ সদস্য বিপ্লব হাসান পলাশ।
স্থানীয় বাসিন্দা মনোয়ারা খাতুন বলেন, ‘বহুত বছর ধইরা অনেক কষ্ট করতাইছি। পলাশ (বিপ্লব হাসান) এমপি হইছে জন্য ব্রিজটা পাইলাম। কষ্টটা ফাঁকে (দূরে) গেল। এহন পোলা-মাইয়ারা হাইটা হাইটা স্কুলে যাইতে পারবো।’
আমন্ত্রণ/পিএস
ভাসমান সেতুতে সীমান্তবাসীর মুক্তি
জুলাই ১৬, ২০২৪
































