মুকুল বসু, বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিবেদক :
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে আব্দুর রহমান নামের (১৮) এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। তবে ধর্ষকের সহযোগে রাতুল (১৯) পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় তরুণীর মা বাদি হয়ে মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) রাতে দুইজনকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা করেছেন।
ধর্ষক আব্দুর রহমান ও তার সহযোগী রাতুল বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নের মুরাইল গ্রামের বাসিন্দা। মেয়েটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুল হাসান।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে আব্দুর রহমান জেলার বোয়ালমারী উপজেলার বর্ণিচর গ্রামের ওই তরুণীতে (১৮) একই উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নের শফিউদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের ভিতরে নিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। এ সময় ওই তরুনী অজ্ঞান হয়ে গেলে পাশের এক বাড়ি নিয়ে চেতনা ফেরানোর চেষ্টা করে ধর্ষক ও সহযোগী। তরুনীর চেতনা না ফিরলে পাশ্ববর্তী মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে সেখানে তার জ্ঞান ফেরে।
খবর পেয়ে বোয়ালমারী থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আব্দুর রশিদ ঈদের পরের দিন মঙ্গলবার সকালের দিকে মোহাম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় তরুণীর মা বাদি হয়ে মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) রাতে দুইজনকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা করে। মামলা নম্বর-০১। মামলার পর মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে অভিযান চালিয়ে মহম্মদপুর উপজেলার এলাংখালী এলাকা থেকে ধর্ষককে গ্রেপ্তার করে। মামলার আসামীকে আজ বুধবার (২ এপ্রিল) দুপুরে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বোয়ালমারী থানা অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুল হাসান বলেন, ধর্ষনের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলার পর ধর্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধর্ষণের সহযোগি আসামি রাতুলকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আজ বুধবার (২ এপ্রিল) মেয়েটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর পাঠানো হয়েছে এবং আসামিকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































