বগুড়া ব্যুরো :
বৈষম্য বিরোধি ছাত্র আন্দোলনে গুলি বর্ষণ ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান মজনু ও সধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপুসহ আওয়ামীলীগ যুবলীগ ছাত্রলীগ শ্রমিক লীগ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতাসহ ১৭২ জন নেতাকর্মীর নামে মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাত আরও ৬০ জনকে আসামী করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে বগুড়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন বগুড়া সদর উপজেলার পলাশবাড়ি গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে শাওন মিয়া।
অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুকান্ত সাহা বাদির জবানবন্দী গ্রহণ করে মামলার অভিযোগ বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য বগুড়া সদর থানার ওসির প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামি হিসেবে নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন, সাবেক বগুড়া পৌরসভার ১৫নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আমিনুর, চকসুত্রাপুরের আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মান্নান আকন্দ, বগুড়ার পূজা উদযাপন পরিষদের নেতা পরিমল প্রসাদ রাজ, ব্যবসায়ী হাজী গফুর, শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান মোস্তা ও সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুর রহমান মানিক, সাবেক সভাপতি আজিজুল হক, সহ-সভাপতি যথাক্রমে শামসুদ্দোহা শামীম, আব্দুল কাদের বাবলু, আব্দুল করিম, মাহবুবর রহমান মতি, হাফিজার, শিবগঞ্জ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রাম নারায়ণ কানু, শহরের নিশিন্দারা খাঁপাড়ার মিনি পিকাপ মালিক সমিতির সধারণ সম্পাদক যুবলীগ নেতা বুলবুল, সাবেক কমিশনার রেজাউল করিম (ডাবলু), শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শিবলী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ইঞ্জিঃ সারোয়ার, মহিলা সম্পাদক ও সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান টুম্পা, মোকামতলা ইউপি চেয়ারম্যান সবুজ, শিবগঞ্জ পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কায়েব ও সাধারণ সম্পাদক জয়, শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষকলীগের মাহবুব হোসেন, শিবগঞ্জ পৌরসভার অফিস সহকারী মো. বদিউজ্জামান বদি, দেউলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যন জাহেদুল রহমান, পিরব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিলটন, আটমুল ইউপি চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন, কিচক ইউপি চেয়ারম্যান শাজাহান চৌধুরী, বুড়িগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম চঞ্চলসহ ১৭২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় বাদি অভিযোগে করেন, ৫ আগস্ট দুপুর ১টার দিকে শহরের কবি নজরুল ইসলাম সড়কে তিনিসহ অনান্যরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার মিছিল সাতমাথার দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় আন্দোলনকে দমানের জন্য স্বৈরাচার সরকারের আওয়মী লীগ, যুবলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মী আসামিরা বাধা দেয়। এসময় মজনু, রিপু, আমিনুর, আব্দুল মান্নান আকন্দ, সেলিম মাহমুদগনের হতে থাকা পিস্তল দিয়ে ছাত্র জনতার ওপর গুলি ছুড়ে আসামিরা লোহার রড, লাঠি, কাঠের বাটাম, লোহার এঙ্গেল দিয়ে মারপিট করে। এসময় আসামি রিপুর পিস্তল দিয়ে ছোড়া গুলি বাদি শাওন মিয়ার শরীরে ও দুপায়ে লেগে রক্ত ক্ষরণ হতে থাকে। আহত বাদি শাওন মিয়াকে ঠনঠনিয়া সাদমান ক্লিনিকে চিকিৎসা করানো হয় এবং পরে তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আমন্ত্রণ/এসিজি
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন : বগুড়ায় সাবেক দুই এমপি মজনু-রিপুসহ আ. লীগের ১৭২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
অক্টোবর ২৪, ২০২৪
































