আমন্ত্রণ প্রতিবেদক :
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর পার্শ্ববর্তী বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ভূগর্ভে কয়লা উত্তোরনের জারণে খনি সংলগ্ন ৪ মৌজার ৪ গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীদের মাঝে কয়লাখনির পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করা হয়েছে। সোমাবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় হামিদপুর ইউনিয়নের পাতরাপাড়া গ্রামে ৪টি মোজার ৪টি গ্রামের মধ্যে বৈদ্যনাথপুর, শিবকৃষ্ণপুর, মথুরাপুর ও বাঁশপুকুর গ্রামের ক্ষতিগ্রস্থ্যদের চেক বিতরণ করেন ও সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম সরকার।
এ সময় বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির প্রকৌশলী এটিএম নুরু-উজ-জামান চৌধুরী মহাব্যবস্থাপক (পিকিউই), মোহাম্মদ ছানাউল্লাহ মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন), খান মো. জাফর ছাদিক মহাব্যবস্থাপক মাইনিং অপারেশন, প্রকৌশলী মো. নজরুল হক মহাব্যবস্থাপক মার্কেটিং, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির সার্ভে টিম কমিটির ১৩ সদস্যের মধ্যে মো. মাসুদুর রহমান হাওলাদার আহব্বায়ক, প্রকৌশলী মো. আক্কাস আলী সদস্য সচিবসহ কমিটির সদস্যগণসহ ক্ষতিগ্রস্তদের সংগঠন বসতবাড়ী রক্ষা কমিটির পাতরাপাড়া গ্রামে নুর মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদসহ গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন। ৪টি মৌজার ৪টি গ্রামের প্রায় ১৬০০ বসতবাড়ী ফাঁটলের জন্য বাড়ীর মালিকদের কাছে ৭ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়।
বসতভিটা রক্ষা কমিটির সভাপতি নুর মোহাম্মাদ আবুল কালাম আজাদ জানান, আমরা আন্দোলন করে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলোর সামান্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছি। ভবিষ্যতে বাড়ীঘর ধ্বংস হয়ে গেলে গ্রামবাসী কোথায় যাবেন? এজন্য বসবাসের উপযোগী মাইনিং সিটি নির্মাণ করে সেখানে ক্ষতিগ্রস্তদের স্থানান্তর করা হলে সকলেই উপকৃত হবেন। তানহলে এভাবে ক্ষতিপূরণের টাকা নিয়ে টাকা শেষ হয়ে গেলে কোথায় যাবেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম সরকার বলেন, পর্যায়ক্রমে অন্য ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝেও ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করা হবে।
আমন্ত্রণ/এসিজি
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেত বিতরণ
অক্টোবর ১, ২০২৪
































