বগুড়া ব্যুরো :
বগুড়ার শিবগঞ্জে পাঁচ বছরের শিশু সানজিদা আক্তারকে হত্যার দায়ে দুই আসামিকে যাবজ্জীবন ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৩০ দিন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।আজ মঙ্গলবার (৬ মে) দুপুরে বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত- ৩ এর বিচারক লুৎফর রহমান শিশির এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। প্রায় ১২ বছর পর এই রায় ঘোষণা করা হয়।
যাবজ্জীবন দÐপ্রাপ্তরা হলেন- বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মাশিমপুর চালুঞ্জা (চন্দ্রপুকুর) গ্রামের রহমান আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৫) ও একই গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে হাবিল খাঁ ওরফে রকি (২৫)।
এছাড়া মামলার অপর আসামি মজিবর রহমানকে তিন বছরের কারাদÐ ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ১৫ দিনের কারাদÐ এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আব্দুর রশিদ ও পারভীন নামের দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট এফ ই এম আসাদুজ্জামান মাখন এবং তাকে সহযোগিতা করেন সিনিয়র আইনজীবী বার সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান খান মুক্তা। রায় ঘোষণার পর দÐপ্রাপ্তদের কারাগারে পাঠানো হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী এফ ই এম আসাদুজ্জামান মাখন জানান, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মাশিমপুর চালুঞ্জা (চন্দ্রপুকুর) গ্রামের মরহুম আবুল হোসেনের পাঁচ বছর বয়সী কন্যা সানজিদা আক্তার সালমা ২০১২ সালের ৭ নভেম্বর রাত ১১টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। এর পরদিন রাত ১১টার দিকে প্রতিবেশীর বাড়ির শিমের মাচার নিচে সালমার লাশ পাওয়া যায়। এ সময় তার শরীরে জখমের দাগ ছিল।
এ ঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন বাবা আবুল হোসেন। পরে ২০১৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শিশুটির কানের দুই আনা স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নিয়ে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় বলে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা। প্রায় ১২ বছর পর এই রায় ঘোষণা করা হয়।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































