বগুড়া ব্যুরো :
বগুড়ায় ৫০ হাজার টাকা যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন চালিয়ে গৃহবুধূ শিউলি বেগমকে হত্যার দায়ে স্বামী মাসুদ আনছারীকে মৃত্যুদন্ডরে আদেশ দিয়েছেন আদালত।সেই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ডও করা হয়েছে। হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে ফাঁসির রশিতে ঝুলিয়ে এই মৃত্যুদন্ডাদেশ কার্য়কার হবে মর্মে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। আসামি ৭ দিনের মধ্যে আপীল করতে পারবেন এবং বিনা খরচায় আদালত হতে রায়ের অনুলিপি দেয় হবে।
আজ রোববার (২২ জুন) দুপুরে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নং-১ এর বিচারক আনোয়ারুল হক এই মামলার রায় দেন। মৃত্যুদন্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামি বগুড়া শহরের নামাজগড় মসজিদের পাশের মৃত মাফুজুল হকের ছেলে।
বগুড়ার র্কোট ইন্সপেক্টর মোসাদ্দেক হোসেন এসব কথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় জানা গেছে, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার সিহালী উত্তরপাড়া গ্রামের সাহেব আলী সরকারের মেয়ে শিউলি বেগমের সঙ্গে আসামি মাসুদ আনছারীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর ঘর সংসার করা কালে তাদের সন্তান হয়। আসামি মাসুদ আনছারী ৫০ হাজার টাকা যৌতুক হিসেবে দাবি করেন। পরে যৌতুকের দাবিকৃত সেই টাকা না পেয়ে মাসুদ তার স্ত্রী শিউলী বেগমকে গত ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১২ টার দিকে নিজ বাড়ির শয়ন ঘরের মধ্য মারপিটসহ নির্যাতন চালিয়ে গুরুতর আহত করে ঘরের মধ্য ফেলে রাখে। পরে আহত শিউলি বেগম তার স্বামীর বাড়িতেই ২৭ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টায় মারা যায়।
বাদি পক্ষের আইনজীবী এপিপি অ্যাডভোকেট কারিমুল ইসলাম বকুল জানান, এ ব্যাপারে নিহত গৃহবধুর শিউলির মা বুলি বেওয়া বাদি হয়ে বগুড়া সদর থানায় এই মামলা দায়ের করেন। মামলাটি এসআই নবিউল ইসলাম তদন্ত করে ওই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
মামলাটি পরিচালনা করেন বাদি রাষ্ট্র পক্ষে পিপি অ্যাডভোকেট আলী আসগার ও তাকে সহায়তা করেন এপিপি অ্যাডভোকেট কারিমুল ইসলাম বকুল এবং আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট হুসনে নুর রশীদ রূপালী।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































