বগুড়া ব্যুরো :
বগুড়ায় গ্রেফতারকৃত মাদকদ্রব্য কারবারি পুলিশের ৩ সদস্যসহ ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিনের রিমান্ড প্রদান করা হয়েছে। বগুড়ার সদর আমলী আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান আবেদন শুনানী শেষে ৪ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করে।
আসামিরা হলেন- জয়পুরহাট জেলার সদর ট্রাফিক কনস্টেবল সাখাওয়াত হোসেন, আরআরএফ রাজশাহীর কনস্টেবল আব্দুল ওহাব, বগুড়া জেলা পুলিশের নায়েক আব্দুল আলীম এবং বিশেষ আনসার সদস্য নং আবু সুফিয়ান (৪২)।
এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বগুড়া ডিবি পুলিশের এসআই মোঃ নুর আলম ওই আসামিদের ঠিকানা যাচাই, ঘটনার সঙ্গে কেউ জড়িত আছে কিনা, উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট কোথা হতে সংগ্রহ করেছে তা জানার জন্য এবং মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য ওই ৪ হাজতি আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিনের পুলিশ রিমান্ডে আবেদন করেন। বগুড়ার সদর আমলী আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্টে মেহেদী হাসান আবেদন শুনানী অন্তে ওই ৪ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করে।
উল্লেখ্য, ডিবি পুলিশ গোপন সুত্রে সংবাদ পেয়ে গত ২৯ মে সন্ধ্যায় শহরের সাতমাথায় একাত্তর আবাসিক হোটেলের সামনে মাদক ব্যবসায়ীরা মাদক বিক্রির জন্য আবস্থান করছে। ওই সংবাদ পেয়ে তিন ব্যক্তি ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় তাদেরকে আটক করে এবং উপস্থিত লোকজনের সামনে বিশেষ আনসার সদস্য আবু সুফিয়ান ৭০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ জব্দ করলে সে জানায় আসামিরা গ্রেফতার হওয়া ৩০ মিনিট আগে ১৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট বগুড়া জেলা পুলিশের নায়েক (৩১৫)আব্দুল আলীমের কাছে বিক্রি করেছে। এর পর ওই আসামিদের মোবাইল ফোন জব্দ করে এবং তাদের কে সংগে নিয়ে পুলিশ প্লাজার পশ্চিম পাশ হতে বগুড়া জেলা পুলিশের নায়েক আসামি আব্দুল আলীমকে গ্রেফতার করে ১৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ জব্দ করে। এব্যাপরে এই মামলা দায়ের হয়।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































