বগুড়া ব্যুরো :
বগুড়ার সোনাতলা থেকে বিপন্ন প্রজাতির প্রাণি গন্ধগোকুল উদ্ধার করেছে শিক্ষার্থীদের পরিবেশবাদী সংগঠন টিম ফর এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ (তীর) এর সদস্যরা। মঙ্গলবার (৪ ফেব্রæয়ারি) দুপুরে সোনাতলা উপজেলার সুজাইতপুর দক্ষিণপাড়া এলাকার কিশোর রনি বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন তীরের সভাপতি হোসেন রহমান সাধারণ সম্পাদক অমিত সাহা ও সোনাতলা উপজেলা ফরেস্ট বিভাগের কর্মচারি জুলফিকার আলী। উদ্ধার করা গন্ধগোকুলটি পরে বিকেলে তীরের সদস্যরা বগুড়ায় সামাজিক বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেছে।
তীরের সভাপতি হোসেন রহমান জানান, গন্ধগোকুলটি জঙ্গল থেকে খাবারের সন্ধানের লোকালয়ে এসে সোনাতলার সুজাইতপুর দক্ষিণপাড়া এলাকার কিশোর রনিদের বাড়ি গেলে রনি কৌসলে তাকে আটক করে রাখে। পরে তীরের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে মঙ্গলবার উদ্ধার করেন। তিনি জানান, বাংলাদেশে বন্য প্রাণি (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের প্রজাতিটি সংরক্ষিত ঘোষণা করা হয়েছে। নিশাচর এ প্রাণিটি একসময় প্রচুর পাওয়া গেলেও বর্তমানে প্রাণীটি তেমন চোখে পড়ে না।
তীরের সাধারণ সম্পাদক অমিত সাহা বলেন, গন্ধগোকুল নিশাচর খাটাশের বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে এরাই মানুষের বেশি কাছাকাছি থাকে। দিনের বেলা বড় কোনো গাছের ভ‚মি সমান্তরাল ডালে লম্বা হয়ে শুয়ে থাকে, লেজটি ঝুলে থাকে নিচের দিকে। মূলত ফলখেকো হলেও কীটপতঙ্গ, শামুক, ডিম-বাচ্চা-পাখি, ছোট প্রাণী, তাল-খেজুরের রসও খায়। অন্য খাদ্যের অভাবে মুরগি-কবুতর ও ফল চুরি করে। এরা ইঁদুর ও ফল-ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে কৃষকের উপকার করে।
উল্লেখ্য শিক্ষার্থীদের পরিবেশবাদী সংগঠন ‘টিম ফর এনার্জি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ’ (তীর) উত্তরবঙ্গে পরিবেশ জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে ২০১১ সাল থেকে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখার জন্য সংগঠনটি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে নিবেদিত প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে জাতীয় পদক ‘এ ভ‚ষিত হয়।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































