বগুড়া ব্যুরো :
২৭তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) উত্তেজনা এবার বগুড়াতেও ছড়িয়ে পড়ছে । দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের এই গুরুত্বপূর্ণ আসরের তিনটি চার দিনের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে। এই ক্রীড়াযজ্ঞের সূচনা হচ্ছে আগামী ১৫ নভেম্বর, শুক্রবার।
প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে রংপুর বিভাগ ও বরিশাল বিভাগ। এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে স্টেডিয়ামের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। গ্রাউন্ডসম্যানরা ইতিমধ্যেই বিসিবি’র নির্দেশনা মেনে সেন্টার উইকেট এবং প্র্যাকটিস উইকেট তৈরি করেছেন। আউটফিল্ডও নতুন রূপে সাজানো হয়েছে।
জানা গেছে, এবারও খেলোয়াড়েরা তুলনামূলক বাউন্সি উইকেটে খেলার অভিজ্ঞতা পাবেন। প্রথম ম্যাচ শুরুর আগের দিন, বৃহস্পতিবার, সকালে ও বিকেলে পালাক্রমে দুই দল স্টেডিয়ামে অনুশীলন করবে। এর আগে বুধবার দল দুটি বগুড়ায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হতে যাওয়া রংপুর বনাম বরিশাল ম্যাচটির জন্য দর্শকদের কোনো টিকিট কাটতে হবে না। দর্শক-আগ্রহ ধরে রাখতে এবং খেলাকে সবার কাছে পৌঁছে দিতে বিনা টিকিটেই দর্শকদের গ্যালারিতে বসে প্রিয় তারকাদের খেলা উপভোগ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় ক্রিকেট অনুরাগীরা মনে করছেন, জাতীয় দলের বাইরে থাকা অভিজ্ঞ খেলোয়াড় এবং উদীয়মান তরুণ প্রতিভাদের নৈপুণ্য কাছ থেকে দেখার এটি এক দারুণ সুযোগ। আশা করা হচ্ছে, বিপুল সংখ্যক দর্শক খেলা দেখতে মাঠে ভিড় করবেন।
এই প্রথম ম্যাচ ছাড়াও বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে আরও দুটি চার দিনের ম্যাচ আয়োজিত হবে। দ্বিতীয় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২২ থেকে ২৫ নভেম্বর, যেখানে সিলেট বিভাগ মোকাবিলা করবে চট্টগ্রাম বিভাগকে।
এরপর ৬ থেকে ৯ ডিসেম্বর তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে রংপুর বিভাগ আবারও মাঠে নামবে খুলনা বিভাগের বিপক্ষে। টুর্নামেন্টের এই পর্যায়ে প্রতিটি ম্যাচই পয়েন্ট টেবিলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচটিতে দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের দুই গুরুত্বপূর্ণ দল সিলেট, চট্টগ্রাম এবং অভিজ্ঞতাসমৃদ্ধ খুলনা বিভাগের পারফরম্যান্স দেখতে মুখিয়ে আছেন দর্শকেরা।
শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামের গ্রাউন্ডসম্যানরা নিশ্চিত করেছেন যে উইকেটকে যেন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক করা যায়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। বিসিবির নির্দেশনা অনুযায়ী তৈরি করা সেন্টার উইকেট এবারও তুলনামূলক বাউন্সি হবে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। সাধারণত বাউন্সি উইকেট পেসারদের জন্য সুবিধা নিয়ে আসে। ব্যাটসম্যানরাও নিজেদের শট খেলতে সুবিধা পাবেন। সব মিলিয়ে, চার দিনের ক্রিকেটে ব্যাট ও বলের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখতে পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে বগুড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মমিনুর রশিদ সাইন বলেন, আবারও এনসিএল শুরু হচ্ছে। আমরা অনেক আশাবাদী দ্রুততম সময়ের মধ্যে বগুড়া বিমানবন্দর চালু হলে আগামী বছরেই বিপিএল ম্যাচ বগুড়ার মাঠে হবে। এছাড়াও শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়ামের প্রয়োজনীয় সংস্কারের জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































