আমন্ত্রণ প্রতিবেদক, হাকিমপুর :
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আবারও আলু আমদানি করা হচ্ছে। রোজাকে সামনে রেখে শনিবার (৯ মার্চ) বিকালে ৬৯ মেট্রিকটন আমদানি করা হয়েছে। এর এক মাস আগে আমদানি করা হলেও বাজারে দাম কমে যাওয়ায় পরে তা বন্ধ হয়ে যায়। এদিকে আমদানিকারকেরা জানান, দেশের বাজারে আবারও দাম বেড়ে যাওয়ায় রোজায় বাজার স্বাভাবিক রাখতে আলু আমদানি করা হচ্ছে। এর ফলে দাম কমে আসবে।
হিলি স্থলবন্দরের বেসরকারী অপারেটর পানামা হিলি পোর্টের সহ-ব্যবস্থাপক এস এম হায়দার জানান, ভারতের পল ট্রেডিং প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে এই আলু রপ্তানি করছে। আর বাংলাদেশের মেসার্স দেবনাথ ভান্ডার নামে একজন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আলু আমদানি করছে। গতকাল শনিবার বিকালের দিকে ভারতীয় ৩টি ট্রাকে ৬৯ মেট্রিকটন আলু আমদানি হয়ে বন্দরে প্রবেশ করে। কাস্টমস শুল্ক পরিশোধের পর গতকাল রোববার সকালে দ্রæত খালাস করা হয়েছে। গত ৬ ফেব্রæয়ারি সবশেষ আলু আমদানি হয়েছিল।
বন্দরের আলু আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানটির স্থানীয় প্রতিনিধি গোলাম সারোয়ার হোসেন জানান, দেশে এখনও আলুর ভরা মৌসুম। কিন্তু বাজারে আলুর দাম বেশি। এই অবস্থায় আমরা ভারত থেকে আলু আমদানির জন্য অনুমতি চেয়ে কৃষি অধিদপ্তরের খামারবাড়ীতে আবেদন করি। আমরা অনুমতি পেয়ে আমদানি শুরু করেছি। আর আগে গত ৩ ফেব্রæয়ারি হিলি দিয়ে আমদানি শুরু করি। পরে বাজারে দাম কমে গেলে পরতা না হওয়ায় আমদানি বন্ধ থাকে। এরি মাঝে আবারও দাম বেড়ে গেলে গতকাল শনিবার (৯ মার্চ) থেকে আলু আমদানি করা হচ্ছে। আশা করছি পরতা পড়লে আমদানি স্বাভাবিক রাখা হবে।
হিলি স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী ইউসুফ আলী জানান, আলু আমদানির অনুমতি চেয়ে বন্দরের ৫০ জন আমদানিকারক আবেদন করেন। তারা ৩৫ হাজার মেট্রিকটন আলু আমদানি করার জন্য গত ১ ফেব্রæয়ারি অনুমতি পান। কিন্তু কয়েকদিন আলু আমদানি হলেও পরে বন্ধ হয়ে যায়। গতকাল শনিবার থেকে এই বন্দর দিয়ে আবারও আমদানি শুরু হয়েছে যা আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত বলবত থাকবে।
এদিকে হিলি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মানভেদে দেশি আলু ২৫-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর আমদানিকৃত ভারতীয় আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫-২৭ টাকা কেজিতে। তবে আমদানির কারণে দেশি আলু কেজিতে ৩-৪ টাকা করে কমেছে।
প্রতিবেশির আলু দেশি আলুর উপর দামে কতটা প্রভাব পড়বে?
মার্চ ১২, ২০২৪































