দিনাজপুর সংবাদদাতা :
নিরাপদ পুষ্টি খাদ্য নিয়ে তথ্য যাচাই ও নিশ্চিতকরন বিগত কার্যক্রমের মূল্যায়ন নিয়ে এক কর্মশালা আজ বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকাল ১০টায় নিমনগর বালুবাড়িতে দিনাজপুর মহিলা বহুমুখী সমিতির হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর জেলা শিক্ষা অফিসার খন্দকার মো. আলাউদ্দিন আল আজাদ, বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম আনু, জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার গৌতম কুমার সাহা, দিনাজপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম, দিনাজপুর পৌরসভার সরকারি ইঞ্জিনিয়ার মো. মিজানুর রহমান সিদ্দিকী, জেলা শিক্ষা অফিসের গবেষণা কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম, বাংলাদেশের নাইস প্রকল্পের ফিল্ড কো-অর্ডিনেট মো. বদরুল আলম, দিনাজপুর ওয়ার্ল্ড ভিশনের এরিয়া কোঅর্ডিনেটর অফিসের সিনিয়র ম্যানেজার অরবিন্দু সিলভেস্টার গোমেজ, জীবনমান মহিলা উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি সানজিদা শবনম ও সাধারণ সম্পাদক কনা পারভীনসহ প্রমুখ।
এই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ইএসডিও-নাইস প্রজেক্টের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর প্রত্যয় চ্যাটাজি, ফিন্যান্স এন্ড এডমিন অফিসার মো. হোসেন আলী সাগর, নাইস প্রজেক্টের প্রজেক্ট অফিসার মো. ইসমাইল হোসেনসহ প্রকল্পের সকল উন্নয়নকর্মীবৃন্দ এবং অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীবৃন্দ।
উনমুক্ত আলোচনায় বক্তারা বলেন, নাইস প্রজেক্ট শহরের পিছে পড়া মানুষগুলিকে নিয়ে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি গুণগতমান উন্ননের জন্য কাজ করে আসছে। যেন শহরের বিশ হাজার মানুষকে নিরাপদ খাদ্য পৌঁছে দিতে পারে। মূলত চারটি বিষয়ের উপর এই কার্যক্রম চলে। প্রথমটি হল নিউট্রিশন গভর্নেন্স, দ্বিতীয় উৎপাদন ও বিতরন, চাহিদা তেরীকরন, প্রচার ও প্রসারন। জেলার লেভেলের ২২টি সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একটি কমিটি গঠন করেছি। যারা রয়েছে সিভিল সোসাইটি, এনজিও, পৌরসভা, কিছু চাষী ভাইদের নিয়ে। তাছাড়া নারী ও যুবকদের নিয়ে বারোটি ওয়ার্ডে কমিটি গঠন করা হয়েছে পৌরবাসীর খাদ্য নিরাপত্তার জন্য, এই ধরনের কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে সুস্বাস্থ্য কমিটি গড়ে তোলার জন্য। নিরাপদ খাদ্য সচেতনতার জন্য এখন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পার্টনারশিপের প্রয়োজনীয়তা গুরুত্ব পাচ্ছে। নিরাপদ খাদ্যের জন্য মাঠ পর্যায়ে থেকে নিশ্চিত কার্যক্রম থাকতে হবে। দিন দিন কীটনাশকের ব্যবহার কমানোর জন্য মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের জৈব উদ্যোগে নিরাপদ খাদ্য তৈরির প্রশিক্ষণ দিতে হবে। রুট লেভেল থেকে নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা করতে হবে। সুস্থ জাতি হিসেবে বেঁচে থাকার জন্য জৈব পদ্ধতিতে নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ করা জরুরী হয়ে পড়েছে। আরো ব্যাপকভাবে নিরাপদ খাদ্যের ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে প্রতেক্যটি উপজেলা ও ইউনিয়নে।
কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার সুধিজন অংশ নেন।
আমন্ত্রণ/এসিজি
নাইস প্রকল্পের মার্কেট ম্যাপিং ভ্যালিডেশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত
জুন ২৬, ২০২৫


































