বগুড়া ব্যুরো:
বগুড়ার নন্দীগ্রামে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ছে কৃষকের খড়ের পালা। তারা পরিকল্পিতভাবে আতঙ্ক সৃষ্টি বা নাশকতার জন্য একের পর এক আগুন দিয়ে চলেছে খড়ের পালায়। টাকার অংঙ্কে ক্ষতির পরিমাণ বেশি না হলেও গো খাদ্যের সংকটে আশঙ্কায় চিন্তিত হয়ে পরেছে ভুক্তভোগী কৃষকরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গত এক মাসে প্রায় ২০টি খড়ের পালায় পরিকল্পিতভাবে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
উপজেলার নন্দীগ্রাম সদর ইউনিয়নের বিজয়ঘট গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ১৭ বিঘা জমির খড়ের পালায় আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। স¤প্রতি একই গ্রামের কৃষক আক্কাছ আলী, আব্দুল আজিজ, শফিকুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, ফেরদৌস আলী ও এনামুল হকের ৯টি পালায় আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বুড়ইল ইউনিয়নের সোনারপাড়া গ্রামের আব্দুল সালামের ১২ বিঘা জমি খড়ের পালায় আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এর কয়েকদিন আগে ওই ইউনিয়নের বীরপলি গ্রামের যুবদল নেতা আব্দুর রাজ্জাকের ৩টি খড়ের পালায় আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়াও কাথম গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা আইন হাজীর খড়ের পালাতেও আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। প্রতিনিয়ত নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে এ ধরনের অগ্নিকাÐের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যেভাবে খড়ের পালায় আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটছে এতে উপজেলার কৃষকরা শঙ্কিত হয়ে পরেছে। কম-বেশি সব কৃষক গরু লালন পালন করে। এভাবে যদি খড়ের পালায় আগুন দেওয়া হয়। তাহলে এই গরুগুলোকে কি খাওয়াবে এমন চিন্তায় আছে তার।
এবিষয়ে নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, আমরা গত রাতেই বিজয়ঘট গ্রামের ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। খড়ের পালায় আগুনের বিষয়টি আমরা খুব গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।
নন্দীগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা কহির উদ্দিন বলেন, গত ৩ সপ্তাহে নন্দীগ্রামে অনেকগুলো খড়ের পালায় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। আমাদের টিম সেখানে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































