বগুড়া ব্যুরো :
বগুড়ায় বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান না হয়েও জালিয়াতি করে মুক্তি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকুরী প্রদানে সহয়তা করে সরকারি ৯ লাখ ৬৭ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার বাদি দুর্নীতি দমন কমিশন বগুড়ার সহকারী পরিচালক জাহিদুল ইসলাম।
মামলায় এই মামলার অভিযুক্ত আসামীরা হলো, বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার খিতাবের পাড়ার মৃত ফয়েজ উদ্দিন মন্ডলের ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রফিকুল ইসলাম এবং একই উপজেলার নয়াপাড়ার জাহিদুল ইসলামের ছেলে ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার বাংলাদেশ ফয়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স’র ফায়ার ফাইটার মো. ফরহাদ হোসেন (পিএন নং ১৩৩৮২)।
মামলা সূত্রে জানাগেছে, দুর্নীতি দমন কমিশন জেলা কার্যালয় বগুড়ার সহকারী পরিচালক জাহিদুল ইসলাম বাদি গত বছরের ৩০ জানুয়ারি এই মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগে উল্লেখ করা হয় যে, বীর মুক্তিযোদ্ধা আসামি রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে অন্যের ছেলে সন্তানকে নিজ ছেলে সন্তান পরিচয় দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিভিন্ন পদে চাকরি প্রদান করে। রাশেদা খাতুন ও মোর্শেদা খাতুন নামে তার ২ কন্যা সন্তান ব্যতীত আর কোন সন্তান নেই। তিনি মুক্তিযোদ্ধা সনদ দিয়ে জালিয়াতি করে তার চাচাতো ভাই জাহিদুল ইসলামের ছেলে ফরহাদ হোসেনকে নিজের পুত্র সন্তান পরিচয় দিয়ে ২০১৯ সালের ২৫ আগস্ট ফয়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স’র ফায়ার ফাইটার পদে চাকরি পেতে অবৈধভাবে সহায়তা করে। পরে ফেনীর ফুলগাজী উপজেলায় ফয়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স’র ফায়ার ফাইটার মো. ফরহাদ হোসেন কর্মরত থাকাকালে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় হতে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানের কছে অভিযোগ করা হলে কমিশনের নির্দেশে অনুসন্ধান করে ওই আসামিদের বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়। দুদক বগুড়া জেলা কার্য়ালয়ের উপসহকারী পরিচালক রোকনুজ্জামান মামলাটি তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজসে সরকারি ৯ লাখ ৬৭ হাজার ৭০৫ টাকা আত্মসাত করেছে মর্মে উল্লেখ করে গত ৯ মার্চ স্বাক্ষরিত অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন। আসামিদ্বয় পলাতক থাকায় অভিযোগপত্রে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা ও হুলিয়া জারির আবেদন করা হয়েছে।
আমন্ত্রণ/এসিজি
দুদক’র অভিযোগপত্র দাখিল বগুড়ায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তান না হয়েও কোটায় সরকারি চাকরি
মার্চ ১৮, ২০২৫


































