কাশী কুমার দাস, দিনাজপুর :
“সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় গঠন কর, করতে হবে, সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা কমিশন গঠন কর, করতে হবে, সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত সকল প্রকার হামলা প্রতিরোধে কঠোর আইন প্রনয়ণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে, সংখ্যালঘুদের জন্য ১০ শতাংশ সংসদীয় আসন বরাদ্দ করতে হবে” এই ৪ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দিনাজপুরে বাংলাদেশ সচেতন সনাতন নাগরিকদের উদ্যোগে বাংলাদেশের অধিকাংশ জেলার বিভিন্ন স্থানে হিন্দু মন্দির ও বাড়ী-ঘর ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও হিন্দু মা-বোন, ভাইদের নির্যাতন এবং হত্যার প্রতিবাদে শনিবার (১০ আগস্ট) দিনাজপুর প্রেসক্লাব সম্মুখ সড়কে গণঅবস্থান, বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও গণঅবস্থান কর্মসূচি পালনসহ শহরের প্রধান প্রধান সড়কে বিক্ষোভ প্রদর্শণ করে প্রেসক্লাব সম্মুখে এসে বিক্ষোভ মিছিলটি সমাপ্ত হয়।
“বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ, স্বস্তিতে বাঁচতে চাই” -এই শ্লোগানকে সামনে রেখে উত্তাল সনাতনী ধর্মীয় সম্প্রদায়ের জনগণের পক্ষে বক্তব্য রাখেন সুনীল চক্রবর্তী, উত্তম কুমার রায়, রতন সিং, ডা. ডিসি রায়, আহম্মেদ শফি রুবেল, কবি জলিল আহম্মেদ, নিখিল চন্দ্র রায়, রনজিৎ কুমার সিংহ, সত্য ঘোষ, সনদ চক্রবর্তী লিটু, প্রফেসর ড. বিকাশ, তপু রায়, মিনতি দাস, মল্লিকা দাস, জয়ন্ত মিশ্র, সঞ্জিত কুমার রায়, গৌরঙ্গ রায়সহ বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হতে ছাত্র-ছাত্রীসহ স্থানীয় সনাতনী সম্প্রদায়ের নেতাকর্মীরা।
বক্তারা বলেন, এদেশ আমাদের। ১৯৭১ সালে সকল সম্প্রদায়ের মানুষ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নিয়ে এদেশ স্বাধীন করেছি। অথচ দেশে ৫৪ বছর ধরে যে কোনো ইস্যুতে হিন্দুদের জানমালের উপর আঘাত করা হয়েছে এবং নারীদের উপর নির্যাতন-অত্যাচারসহ হিন্দুদের সম্পত্তি ও মালামাল লুট করা হয়েছে। স্বাধীন দেশে আমাদের নিরাপত্তা নেই কেন? কিছু হলেই আমাদের মন্দির এবং বিগ্রহ ভাংচুর করা হয় কেন? হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের বাড়ী-ঘরে আগুন লাগায় কারা? আমরা জানতে চাই। সে কারণেই আজ বাংলাদেশের সনাতনী হিন্দু সম্প্রদায় ঘোষনা দিয়ে চার দফা দাবী বাস্তবায়নের লক্ষে আমরা রাজপথে নেমেছি।
যতক্ষণ পর্যন্ত সরকার সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করছে ততদিন পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়বো না।
আমন্ত্রণ/এসিজি
দিনাজপুরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিক্ষোভ, ৪ দফা দাবিতে বিক্ষোভসহ মানববন্ধন
আগস্ট ১০, ২০২৪































