বগুড়া ব্যুরো :
বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আব্দুস সালাম বলেছেন, ড. ইউনুস সাহেব আপনি সময় নষ্ট করে ফেলেছেন। ছয়মাস সময় অতিবাহিত করে ফেলছেন খালি এদিক আর ওদিক করে। সংস্কার করবেন না করবেন তা ডিসাইট করতে পারেননি। এজন্য বলি আপনার দ্বারা আর তেমন কিছু সম্ভব না। এখন আমরা চাই আপনি যাতে ব্যর্থ না হন। আপনার সফলতা হবে একটাই। মানুষের ভোটের যে অধিকার ছিনতাই হয়েছিল আপনি সেই অধিকার ফিরিয়ে দেন। যত দ্রæত সম্ভব একটা নির্বাচন দেন। যতটুকু সংস্কার করা দরকার তা করে নির্বাচন কমিশনকে ঠিক করেন। সেই সঙ্গে ওই কালো টাকার মালিকরা যাতে নির্বাচনে আসতে না পারেন তার ব্যবস্থা করুন।
সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বগুড়ার ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেসা খেলার মাঠে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি সহনীয় পর্যায়ে রাখা, অবনতিশীল আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, দ্রুত গণতান্ত্রিক যাত্রাপথে উত্তরণের জন্য নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা এবং রাষ্ট্রে পতিত ফ্যাসিবাদের নানা চক্রান্তের অপচেষ্টা মোকাবেলাসহ বিভিন্ন দাবিতে এই জনসভার আয়োজন করে জেলা বিএনপি।
ড. ইউনুসকে উদ্দেশ্য করে প্রধান অতিথি আরও বলেন, সংস্কার সংস্কার তো করেন, কিন্তু আমাদের নেতা তারেক রহমান আপনি আসার আগেই শেখ হাসিনার আমলে ৩১ দফা দিয়েছিল রাষ্ট্র ব্যবস্থা সংস্কারের জন্য। আপনি এখনও সেটা খুলেই দেখেননি। ওইটা দেখেন। ওইটার মধ্য নিহিত আছে বাংলাদেশ আবার যারা ক্ষমতায় আসবে যদি ৩১ দফা পালন হয় এই দেশে আর কেই স্বৈরাচার হতে পারবে না। বিনা ভোটে কেই রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করতে পারবে না। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য হবে। দুই বারের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। এসব কথা ৩১ দফায় আছে। অর্থাৎ আপনার ওই সংস্কার চাপ্টার ক্লোজড করে দেন। এখন নির্বাচনি চাপ্টার খোলেন। নির্বাচনি রোডম্যাপ ঘোষণা করেন।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে এবং খায়রুল বাশারের সঞ্চালনায় জনসভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবেক পৌর মেয়র অ্যাড. একেএম মাহবুবর রহমান, সাবেক এমপি কৃষক দলের কেন্দ্রীয় নেতা হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এ.এইচ.এম ওবায়দুর রহমান চন্দন, জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক ও সাবেক এমপি গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন, সাবেক এমপি কাজী রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর হেনা, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন, এমআর ইসলাম স্বাধীন, একেএম আহসানুল তৈয়ব জাকির, তৌহিদুল ইসলাম মামুন, জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান। বেলা সাড়ে চারটায় এই রিপোর্ট লেখার সময় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মি সমর্থকে ভরে গেছে মাঠ। জনসভায় আগত মিছিলকারীরা তারেক রহমান তারেক রহমান ধ্বনিতে মুখর করে রাখে জনসভাস্থল।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































