বগুড়া ব্যুরো :
জ্ঞাত আয় বর্হিভ‚ত এক কোটি ২৫ লাখ ৯৩ হাজার ১৪৮ টাকা মুল্যমানের সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনে দায়েরকৃত মামলায় দুদক তদন্ত শেষে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে বগুড়া পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র পরিমল চন্দ্র দাসকে (৫২) অভিযুক্ত করে বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি এই অভিযোগপত্র বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে দাখিল করা হয়। বগুড়ার কোর্ট পরিদর্শক মোসাদ্দেক আলী অভিযোগপত্র দাখিলের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পরিমল চন্দ্র দাস বগুড়া শহরের চেলোপাড়া মহল্লার পরেশ চন্দ্র দাসের ছেলে। পরিমল বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
উল্লেখ, ২০২৩ সালে দুর্নীতি দমন কমিশনের নির্দেশে অভিযুক্ত পরিমল চন্দ্র দাসের প্রতি সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়। তৎপ্রেক্ষিতে পরিমল চন্দ্র দাস ২০২৩ সালের ৩০ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশন বগুড়া জেলা কার্যালয়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। বিষয়টি অনুসন্ধানের পরে দুর্নীতি দমন কমিশন বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক পরিচালক হাফিজুর রহমান বাদি হয়ে গত ২০২৩ সালের ১০ ডিসেম্বর তৎকালীন বগুড়া পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পরিমল চন্দ্র দাসকে আসামি করে জেলা কার্যালয়ে এই মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দুর্নীতি দমন কমিশন বগুড়া জেলা কার্যালয়ের উপ সহকারী পরিচালক রোকনুজ্জামান তদন্ত শেষে আসামি পরিমল চন্দ্র দাসের নামে জ্ঞাত আয় বহিভ‚ত এক কোটি ২৫ লাখ ৯৩ হাজার ১৪৮ টাকা মুল্যমানের সম্পদ অর্জন করে তা নিজ ভোগ দখলে রেখে দুনীতি দমন কমিশন আইনের শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন মর্মে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে দুদক প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্তৃক ১৬ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত এই অভিযোগপত্র বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে দাখিল করেন।
আমন্ত্রণ/এসিজি
জ্ঞাত আয় বর্হিভ‚ত এক কোটি ২৫ লাখ ৯৩ হাজার ১৪৮ টাকা সম্পদ অর্জন বগুড়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর পরিমলের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৫
































