গোপাল মোহন্ত, গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) :
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মসজিদের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দু’গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার ঘটনায় ৯ জনকে আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলায় দায়ের করা হয়েছে।
আজ শনিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে নিহত ছাইদুলের স্ত্রী স্বপ্না খাতুন বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার ফুলবাড়ী ইউনিয়নের মালাধর মধ্যপাড়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুল গফুর (৩৪), মালাধর ফকিরপাড়া’র সোহরাব খন্দকারের ছেলে সোহাগ হোসেন খন্দকার (২৭) ও ফিরোজের ছেলে সম্পদ (২৮)।
এদিকে মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হতে তার স্বজনরা ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য নিহত ছাইদুলকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে, গ্রেপ্তারকৃৃতরা গোপনে ছাইদুল মারা গেছে কিনা জানতে হাসাপাতালে এলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গত শুক্রবারই ওই ৩ জনকে আটক করেছিল।
মামলার বাদী স্বপ্না খাতুন মামলায় উল্লেখ করেন মালাধর মসজিদের কমিটি গঠন নিয়ে পূর্ব থেকেই দ্ব›দ্ব চলে আসছিল। গত শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর বেলা দু’টার দিকে পুর্নাঙ্গ কমিটি গঠন নিয়ে আলোচনা শুরু হলে মামলার প্রধান আসামী মালাধর মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত কামাল হোসেনের ছেলে মজিদুল ইসলাম মাজেদের নেতৃত্বে মামলার অন্যান্য আসামীরা লাঠি শোঠ, লোহার রড, ধারাল অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্যেশ্যে বাদীর ভাতিজা আব্দুল মতিনের ওপর আক্রমণ করে এলোপাথারী মারধর করতে থকে।
এ সময় বাদীর স্বামী সাইদুল তাকে বাঁচাতে ছুটে গেলে তার ওপর আক্রমণ করে মারপিট ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকেও আঘাত করতে থকে। এতে সাইদুল ঘটনাস্থলেই মারা যায়। নিহত ছাইদুল ইসলাম মালাধর উত্তরপাড়া গ্রামের হাছিম উদ্দীনের ছেলে।
গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বুলবুল ইসলাম মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত শুক্রবার ঘটনার পর পরই ৩জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































