গোপাল মোহন্ত, গোবিন্দগঞ্জ :
ফলন ও বাজার দর ভালো পাওয়ায় গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বাড়ছে মসলা জাতীয় ফসল রসুন চাষ। আবহওয়া অনুকুলে থাকায় রসুনের ফলনো হয়েছে বেশ ভালো। রোগবালাই এবং পরিচর্যা ব্যয় কম হওয়ায় এ আবাদে আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন চাষীরা। মাটি ও আবহওয়া রসুন চাষের উপযোগি হওয়ায় অনেক আগে থেকেই উপজেলার কৃষকরা মসলা জাতীয় ফসল হিসাবে রসুনের চাষ করে আসছেন। এক সময় সল্প পরিসরে রসুন চাষ করলেও দাম ও চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় রসুন আবাদে আগ্রহী বেড়েছে কৃষকদের। চলতি বছর এই এলাকায় অন্য ফসল আবাদের পাশাপশি বাণিজ্যিক ভাবে রসুনের চাষ বেড়েছে।
আগ্রহায়নে বপন বা ছিটা পদ্ধতিতে কৃষকরা রসুন চাষ করলেও ফলন পাওয়া যায় চৈত্র-বৈশাখে। চাষীরা জানান রসুন ফসলের রোগ বালাই ও পরিচর্যা ব্যয় কম তাই এর উৎপাদন খরচ কম লাগে। এবার আবহওয়া অনুকুলে থাকায় এর ফলনো হয়েছে বেশ ভালো। বিঘা প্রতি ৩০ থেকে ৩৫ মণ পর্যন্ত রসুনের ফলন আশা করছেন কৃষকরা। বর্তমান বাজার দর ও অনুকুল আবহাওয়া অব্যহত থাকলে রসুনের ফলন ও বাজার দরে আর্থিক ভাবে লাভবান হবেন তারা।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকতা মো. মেহেদী হাসান বলেন, মশালা জাতিয় ফসল হলেও রসুন একটি লাভ জনক আবাদ,তাই অন্য অন্য ফসলের পশাপাশি কৃষক জানিজ্যক রসুন চাষ করছেন বলে জানিছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা। রসুনের উচ্চ ফলনসীল জাত সম্প্রসারণ ও আধুনিক চাষ আবাদে কৃষক প্রশিক্ষণ,প্রদর্শনীসহ মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার দেওয়ার হচ্ছে।
এ বছর জেলায় ২৫৫ হেক্টর আর গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় হয়েছে ৭৩ হেক্টর জমিতে রসুনের আবাদ হয়েছে। হেক্টর প্রতি যার গড় ফলন ধরা হয়েছে ৮.০৫ মেট্রিক টন। রসুন চাষ বৃদ্ধি পেলে এর আমদানি নির্ভরতা যেমন কমে আসবে সেই সাথে কৃষকরাও আর্থিক ভাবে লাভবান হবেন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
আমন্ত্রণ/এসিজি
গোবিন্দগঞ্জে বেড়েছে মসলা জাতীয় ফসল রসুন চাষফলন ও বাজার দর ভালো পাওয়ায় খুশী চাষীরা
এপ্রিল ২৯, ২০২৫
































